মাত্র ১৬ বছর বয়সে লিখেছিলেন দাদার কীর্তি!‌

আজ ৩০ মার্চ। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ব্যোমকেশ স্রষ্টার জীবনের কিছু অজানা দিক। কীভাবে তৈরি হল দাদার কীর্তি?‌ সেই কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। লিখেছেন রুদ্র ভৌমিক।।

সন্তোষের ফাইনালে বাংলা, সামনে কেরল

সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলা। সেমিফাইনালে হারিয়ে দিল কর্নাটককে। হাওড়া ময়দানে দুপুরে বাংলার সামনে ছিল কর্নাটক। মূলপর্বের প্রথম তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছিল বাংলা। ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী ছিল...

সেই হরিদয়ালকে মনে পড়ে?‌

সেই হরিদয়াল রায়কে মনে পড়ে?‌ এতদিনে আপনি নিশ্চয় ভুলে গেছেন। এতদিনেই বা বলি কী করে?‌ দিন সাতেক আগেও তো সেই কীর্তিমান শিক্ষককে নিয়ে কত লেখালেখি!‌ ফেডারেল ফ্রন্ট, রামনবমী, বল বিকৃতি–‌এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে গিয়ে সব ঘেঁটে গেছে, তাই তো?‌ এখন আর ময়নাগুড়ির সেই প্রধান শিক্ষককে মনেই পড়ে না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

সন্তোষের ম্যাচ দুপুর আড়াইটেয় কেন?‌

সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনাল। কারও কোনও হেলদোল নেই। তিন বড় ক্লাবেই নাকি নৈশালোক। তাও দুপুর আড়াইটেয় সেমিফাইনাল!‌ ফেডারেশনের উদাসীনতা না হয় বোঝা যায়, আই এফ এ–‌কে কে বারণ করেছিল নৈশালোকে আয়োজন করতে?‌ বাংলা কাগজ মেতে আছে হাসিন জাহান আর বল বিকৃতিতে।

সেই এমেকা, ফের কলকাতায়

আটের দশকের কলকাতা ফুটবল। চিমা, এমেকা। এমন কত নাম। সেই এমেকা, একসময় নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপও খেলেছেন। ফের এলেন কলকাতায়। বেড়াতে নয়, কোচিংয়ে।