ঘুম আনতে কী করবেন, কী করবেন না?
কিছুতেই রাতে ঘুম আসছে না? কী করবেন? কী করবেন না? কতগুলি সহজ নিয়ম মেনে চলুন। ওষুধ না খেয়েও সহজে ঘুম আনতে পারবেন।
কিছুতেই রাতে ঘুম আসছে না? কী করবেন? কী করবেন না? কতগুলি সহজ নিয়ম মেনে চলুন। ওষুধ না খেয়েও সহজে ঘুম আনতে পারবেন।
কলকাতার নামী অর্থোপেডিক সার্জেন। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। কিন্তু একইসঙ্গে প্রচন্ড ক্রীড়াপাগল। তাই ঠিক করেছেন, ছোট ক্লাবের ফুটবলারদের নিখরচায় চিকিৎসা করবেন। এমনই এক চিকিৎসক ডা. ঋত্বিক গাঙ্গুলি। খেলাধুলো নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা জেনে নিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
ধমক দেখিয়ে, সেই বৈঠকের লাইভ টেলিকাস্ট দেখিয়ে, সস্তা বাহবা পাওয়া যায়। যাচ্ছেও। সরকারি হাসপাতাল ও পরিষেবা সম্পর্কে চূড়ান্ত অনাস্থা থেকেই মানুষ নার্সিংহোমে যাচ্ছেন। আগে এই সহজ সত্যিটা স্বীকার করুন। অন্যদের ধমক দেওয়া আগে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আত্মসমীক্ষা করুন। লিখেছেন ধীমান সাহা।
নার্সিংহোমের মালিকদের ডেকে কড়া ধমক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অবশ্যই ভাল উদ্যোগ। অনেকের মনের কথাই বলেছেন। কিন্তু শুধু ধমকে কাজ হবে না। চাই কড়া নজরদারি। চালু হোক অভিযোগ সেল, নিষ্পত্তি হোক সাতদিনে। লিখেছেন ডা. শান্তনু মাজি।।
সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়? আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
কোথা থেকে এল এই ডেঙ্গি ? কতদিনের পুরানো ? কীভাবে বুঝবেন আপনার ডেঙ্গি হয়েছে ? হলে কী করবেন ? কখন হাসপাতালে ভর্তি হবেন ? এই রোগ এড়াতেই বা কী করবেন ? আমাদের মনে এসব নানা প্রশ্ন। সুন্দরভাবে সব উত্তর মেলে ধরলেন অ্যাপোলো গ্লেনেগিলসের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সুশোভন মণ্ডল।।
কোনও দুর্ঘটনা ঘটল। কী করবেন, কিছু বুঝতে পারছেন না ? ফোন করুন। চলে আসবে নারায়ণা সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের অ্যাম্বুলেন্স। চলে আসবে পুলিশের গাড়িও। ব্যাস, আপনাকে হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হবে না। পুলিশি ঝামেলাতেও পড়তে হবে না। অভিনব এই পরিষেবা শুরু হল হাওড়ায়।
(বিস্তারিত জানতে পড়ুন)।
ফিফায় তিনি স্বমহিমায় স্বীকৃত। এএফসি বা আইসিসিতেও তিনি। অথচ, এই বাংলায় বঙ্গভূষণ বা খেলরত্ন কিছুই জোটেনি। স্পোর্টস মেডিসিনের এমনই এক কিংবদন্তি নিশীথরঞ্জন চৌধুরি। তাঁকে নিয়ে লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কোনও এক রাজ্যে, কোনও এক সরকারি হাসপাতালে, গুডবার্ন নামে একটি ওয়ার্ড আছে। সেখানে ভর্তি ছিলেন বদন নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। সম্প্রতি তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বদনকে হারিয়ে গুডবার্ন ওয়ার্ড কী ভাবছে ? তার বোবা কান্না সেই পথ দিয়ে যেতে যেতে শুনে ফেললেন রবি কর।।