ভাবতে অবাক লাগে, এত অপকর্মের পরেও নির্মল মাজি কিনা মন্ত্রী হচ্ছেন! কী জানি, হয়ত তাঁকে স্বাস্থ্য দপ্তরও দেওয়া হতে পারে। এমনিতেই তাঁর মাতব্বরিতে স্বাস্থ্যদপ্তর বেসামাল। তার ওপর মন্ত্রী হয়ে গেলে কী করবেন, কে জানে! লিখেছেন অনির্বাণ বোস।
শিলিগুড়ি জংশন থেকে রংটং। এটাই রাখা হয়েছে ইভিনিং সাফারির রুট। পরে, পর্যটকদের মধ্যে ভাল সাড়া পেলে এটিকে তিনধারিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। শিলিগুড়ি জংশন থেকে ট্রেনটি ছাড়বে দুপুর তিনটে নাগাদ। রংটংয়ে পৌঁছে কিছুক্ষণ বিরতি। তারপর সেখান থেকে যখন ট্রেনটি শিলিগুড়ির উদ্দেশে ফিরে আসবে, তখন সন্ধে নেমে যাবে।
গত এক বছরে কয়েক হাত দূরে দূরে বাইপাসের ধারে মুখ্যমন্ত্রীর হাজার হাজার ফ্লেক্স টাঙিয়েছেন। মাঝে মাঝে ভাইপোর ছবিও টাঙিয়েছেন। সেই ছবি টাঙানোরই স্বীকৃতি পেলেন সুজিত বোস। এবার তাঁকে আনা হল মন্ত্রিসভায়। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।