কেউ কাউকে চিঠি লেখে না
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ – স্মৃতিটুকু থাক। এটি মূলত পাঠকের মুক্তমঞ্চ। অকপটে নিজের নানা অনুভূতির কথা লিখে জানাতে পারেন। নির্বাচিত লেখাগুলি প্রকাশিত হবে বেঙ্গল টাইমসে। শব্দ সংখ্যা ১৫০ থেকে ২৫০ ।
বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে? তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘এগিয়ে বাংলা’র ছবিটা আসলে কেমন। লিখেছেন তমাল ভৌমিক।।
সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়? আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
বুক করা হত ট্রেনের পুরো কামরা। দেড়–দুমাসের লম্বা সফরে বেরিয়ে পড়া। রাঁধুনি তো থাকতই, সঙ্গে ধোপা–নাপিত। বেড়াতে গিয়েই প্রেম, বিয়ে। এমন কত অজানা কাহিনী কুণ্ডু স্পেশ্যালে। তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন অয়ন দাসের।
সবকিছুই একে একে মনে পড়ে যায়। সে প্রেমও বড় সত্যি, সে যন্ত্রণাও বড় পবিত্র। স্কুল পেরিয়ে কলেজ জীবন। সেখানেও কত স্মৃতির কোলাজ। কলেজ রাজনীতি থেকে দল বেঁধে হারিয়ে যাওয়া। হইহুল্লোড় থেকে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই। এক জীবনে কত ভিন্ন স্রোত।
স্কুল জীবনে ভালো মেয়ে ছিলাম। শুধু পড়াশোনায় নয়, দেখতেও। আমাদের দেশে ভালো মেয়ে হওয়ার প্রধান ক্রাইটেরিয়া হল প্রেম না করা। যারা প্রেম করে তারা খুব খারাপ। আমিও সেটাই ভাবতাম। তাই প্রেম থেকে শত হস্ত দূরে থাকতাম। তার ওপর বাবা মা আমাকে ভর্তি করেছিল মেয়েদের স্কুলে। আর স্কুলটা বাড়ির একেবারে কাছে। এমনকি কোচিঙেও পড়তে যেতাম না, স্যারেরা বাড়িতে পড়াতে আসত। তাই যাওয়া আসার পথে ছেলেরা পিছনে ঘুরঘুর করবে, তা হত না।
ফেসবুকে নানা ফেক প্রোফাইল। তারাই কেউ বন্ধুত্বের প্রস্তাব পাঠাচ্ছে। কেউ হয়ত নিছক মজা করছে। আপনিও ফাঁদে পা দিচ্ছেন। কীভাবে বুঝবেন, কোন আইডি-টা আসল, আর কোনটা নকল ? কয়েকটা উপায় বাতলে দিলেন প্রসূন বসু।।
প্রায় অধিকাংশ হাটমশলার দোকানেই পোস্ত পাওয়া যায়। শপিং মলেও পাওয়া যায়। অনলাইনেও পাওয়া যায়। লুকিয়ে চুরিয়ে নয়, একেবারে প্রকাশ্যেই। পোস্ত বিক্রি চলতে পারে। অথচ, পোস্তর চাষ চলবে না। এ কেমন নিয়ম?
দিন দিন প্রচণ্ড অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি, ওর পড়ায় মন নেই। বাথরুমেও যায় ফোন নিয়ে। খেতে বসে খাওয়ার দিকেও মন থাকে না। এতটাই অ্যাডিক্টেড হয়ে গেছে, এক মুহূর্তও ফোন ছাড়া থাকতে পারছে না। সোশাল সাইট আসক্তি নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ উঠে এল নিবেদিতা পালের কলমে।