আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

স্মৃতিটুকু থাক আমি তখন কলেজে পড়ছি। হাতখরচ তোলার জন্য টিউশনি পড়াতাম। পাড়াতেই একটি মেয়ে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ত। তার বাড়ির লোক চাইতেন, আমি যেন তাকে টিউশনি পড়াই। রাজি হয়ে গেলাম। সন্ধেবেলায়...

ইংরেজি শেখার দশটি সহজ উপায়

কতদিন লাগতে পারে?‌ সময় নিয়ে হতাশ হবেন না। শুরুতেই মাথায় রাখুন, একমাসে যা শিখবেন, দু মাসে তার থেকে বেশি কিছু শিখবেন, তিন মাসে আরও বেশি। এভাবে এগিয়ে চলুন। ইংরাজি শেখার এমনই কিছু টোটকা।

ক্যাবের ভাড়ায় লাগাম টানা হোক

ওলাকে নিয়ে দুর্ভোগের শেষ নেই। রাতের দিকে তিনগুণ, চারগুণ ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। ইচ্ছে মতো রাইড বাতিল করছে। ওলা–‌উবের ইচ্ছেমতো ভাড়া নেবে, এটা চলতে পারে না। ভাড়ার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত। কোথাও একটা লাগাম পরানো দরকার।

স্মার্টফোন! এখন থেকেই দূরত্ব বাড়ান

স্মার্টফোন আপনার সবসময়ের সঙ্গী?‌ তাহলে আপনার জন্য অশনি সংকেত। অন্তত মার্কিন গবেষণা তাই বলছে। কী কী সমস্যা হতে পারে, একটু জেনে নিন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

ছেলে–মেয়েকে সাঁতারটা অন্তত শেখান

আটের দশক বা নয়ের দশকেও দশজনের মধ্যে অন্তত সাত–আটজন সাঁতার জানত। গত পনেরো–কুড়ি বছরে ছবিটা যেন একেবারেই বদলে গেছে। স্নান করতে এখন পুকুরে যাওয়ার রেওয়াজটাই কমে গেছে। এখন একশো জন কিশোর বা তরুণের মধ্যে পাঁচজন সাঁতার জানে কিনা সন্দেহ। সমুদ্রে একের পর এক তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা তো আছেই। পাশাপাশি জল সম্পর্কে অদ্ভুত একটা ভীতিও কাজ করছে। ওপেন ফোরামে লিখলেন ধীমান সাহা।।

কথা বলার লোকের বড্ড অভাব

যার সঙ্গে কথা হবে, সে কেমন অবস্থায় থাকবে, কে জানে!‌ সে হয়ত ফোন ধরবেই না। র কথা বলা ফ্রি জানলে কথার মূল্যও কমে যায়। যেতে বাধ্য। তাই যারা মোবাইল খুটখুট করে চলেছে, তাদের মেসেজ করার জন্য হয়ত অনেক লোক আছে। কিন্তু হায়!‌ তাঁদের সঙ্গে কথা বলার লোকের বড্ড অভাব।

সময়ের কাজ কীভাবে সময়ে করবেন?‌

সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়?‌ আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

সকালে না উঠলে অর্ধেক কাজ মিস করে গেলেন

ভোরে উঠতে হবে বলে বেশি চাপ নেবেন না। রাতে যদি বারবার এটাই ভাবতে থাকেন, তাহলে ঠিকঠাক ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, না উঠলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। নিজেকে হালকা রাখুন।

সোশাল নয়, এ যেন অ্যান্টি সোশাল সাইট

দিন দিন প্রচণ্ড অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি, ওর পড়ায় মন নেই। বাথরুমেও যায় ফোন নিয়ে। খেতে বসে খাওয়ার দিকেও মন থাকে না। এতটাই অ্যাডিক্টেড হয়ে গেছে, এক মুহূর্তও ফোন ছাড়া থাকতে পারছে না। সোশাল সাইট আসক্তি নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ উঠে এল নিবেদিতা পালের কলমে।

স্বপ্নের নায়ক হাতের সামনে!

স্বপ্নের নায়ক। তাঁকেই কিনা পাওয়া গেল হাতের সামনে!‌ সেই প্রথম দেখা। ঠিক চিনে গেলেন। কৃশাণু দে সম্পর্কে এমনই এক অনুভূতি উঠে এল স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে।