বিধানসভা বা লোকসভাকে বলা হয় আইনসভা। অর্থাৎ, সেখানে আইন তৈরি হয়। যাঁরা আইন তৈরি করছেন, যাঁরা সংবিধান সংশোধন করছেন, তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাটুকু থাকবে না? কোন আইন তৈরি হচ্ছে, কোন আইনের পরিবর্তন হচ্ছে, এটুকু বোঝার মতো বিদ্যেটুকুও যদি না থাকে, এমন মানুষদের আইনসভায় পাঠানো কি খুব জরুরি?
দর্শকরা মেতে আছেন এখনও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বা এম এস ধোনিদের নিয়েই। এখনও তাঁদের নাম লেখা জার্সির যা কদর, কোনও তরুণকে ঘিরে তো সেই উন্মাদনা দেখা যায় না। এখনও মহাতারকা বলতে সেই বিরাট, ধোনিদেরই বোঝায়। জনপ্রিয়তার নিরিখে ধোনি বা বিরাটের একশো মাইলের মধ্যেও কি কেউ আছেন?
বাংলাকে এত ভালবাসি, কলকাতাকে এত ভালবাসি। তাহলে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলে সেই আনন্দ হয় না কেন? কলকাতা হারলেই বা দুঃখ হয় না কেন? আসলে, কলকাতার এই দলটাকে ঘিরে কখনই সেই একাত্মতা তৈরি হয়নি। আমার মতো অনেকেই দেখেছি কেকেআর সম্পর্কে নিষ্পৃহ, উদাসীন। কেন আমাদের মধ্যে এই উদাসীনতা তৈরি হল, নাইট ম্যানেজমেন্ট ভেবে দেখুন।
দরজায় কড়া নাড়ছে ভোট। তিন শিবিরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণাও করে দিয়েছে। কারা কোথায় এগিয়ে? সেইসঙ্গে টি২০ বিশ্বজয় নিয়ে রয়েছে কিছু আকর্ষণীয় লেখা। প্রয়াত সাহিত্যিক শঙ্করকে শ্রদ্ধার্ঘ্য। রয়েছে সাহিত্য, বিনোদন, ভ্রমণের মতো নিয়মিত বিভাগ।
তাঁর ঘরের মাঠ বলে কিছু নেই। যেখানে তিনি খেলতে যান, সেটাই তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানেই গ্যালারির রঙ হয়ে ওঠে হলুদ। সবার গায়েই উঠে আসে সাত নম্বর জার্সি।
এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন? এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে? শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।
এই অসহিষ্ণুতা আসে লাগাতার মোবাইল ঘাঁটা থেকেই। এই অসহিষ্ণুতা আসে পড়া থেকে বহুদূরে সরে গেলেই। তাই যাঁরা বলেন, কাগজ পড়ার সময় নেই, তাঁদের প্রতি কিছুটা করুণাই হয়। তাঁরা যে কোথায় তলিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা নিজেরাও জানেন না। খুব ইচ্ছে করে তাঁদের বলি, ও হে মশাই, কাগজ পড়তে সময় লাগে না, যোগ্যতা লাগে, যা আপনার নেই।
রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।
বিজেপির বড় চমক অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন, তা তো জানাই ছিল। কিন্তু পাশাপাশি ভবানীপুরেও তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বড়সড় ঝুঁকিই নিয়েছে বিজেপি। কোনও সন্দেহ নেই, শুভেন্দু নিজেও যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আগেরবার মমতা ব্যানার্জির নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে যতটা সাহসিকতার পরিচায় দিয়েছিলেন, শুভেন্দুর এই ভূমিকা আরও বেশি দুঃসাহসী।
জনতা যদি ধোনির কৃতিত্বকে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই চায়, এত গোঁসা করার তো কিছু নেই। মুখে বলছেন, তারকা প্রথায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু তারকাদের ছেঁটে ফেলে নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন।