যাঁরা তৃণমূল বিরোধী, তাঁরা তৃণমূলের এই ভাঙনে উল্লসিত হতেই পারেন। কিন্তু বাংলার গণতন্ত্রের পক্ষে এটা খুব উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন নয়। দল ভাঙানোর সংস্কৃতি এই রাজ্যে আগেও ছিল। তৃণমূলের বিরুদ্ধেও বারবার এই অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু বিরোধী দলে এমন ভাঙন শুধু বাংলা নয়, দেশের রাজনীতিতেই বিরল।
করবেন। তাঁরা আসলে কার বিরোধী? শাসকের নাকি মমতার? শাসকের বিরোধিতা করার মুরোদ এঁদের অন্তত নেই। এঁরা ততটুকুই বলবেন, যতটুকু শাসক বলতে বলবে। এঁদের ঘড়িতে ততটুকুই দম দেওয়া আছে। এমন তাঁবেদার বিরোধী দল কোনও রাজ্যেই সম্ভবত নেই। দোহাই, এই অর্বাচীনদের আর যাই বলুন, বিদ্রোহী বলবেন না।
আইন নিশ্চয়ই আইনের কাজ করবে। কিন্তু বিরোধীরাও যেন তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নির্ভয়ে চালিয়ে যেতে পারে, সেটা নিশ্চিত করাও প্রশাসনের দায়িত্ব।