কাইফি আজমির লেখা একটা জনপ্রিয় গজল ছিল। তুম ইতনা যো মুসকুরা র্যাহেহো, ক্যা গম হ্যায় জিসকো ছুপা র্যাহে হো। বাংলা করলে দাঁড়ায়, এত যে হাসছো, কোন দুঃখকে আড়াল করতে চাইছো? নতুন মুখ্যমন্ত্রীকেও প্রশ্ন করাই যায়, ‘এত যে হুঙ্কার দিচ্ছেন, কী এমন ভয়, যাকে আড়াল করতে চাইছেন!’
এত ভাল লেগেছিল, জমিই কিনে ফেলেছিলেন মহানায়ক। দিগন্তজুড়ে নীল জলাশয়। ওপারেই সবুজ পাহাড়। বেশি দূরে নয়, কাছেই আছে তোপচাঁচি। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।
যাঁরাই পুরী যান, তাঁদের অধিকাংশই ওদিকে পা মাড়ান না। হয় জানেন না। অথবা জানলেও তেমন আগ্রহ দেখান না। আশপাশের জায়গাগুলো তো রইলই। শীতের দুপুরে একবার ফরেনার ঘাট থেকে ঢুঁ মেরে আসতেই পারেন। পুরীর মধ্যে অন্য একটা পুরী আপনার মনে ছাপ ফেলতেই পারে।
চাইলে নির্জন স্টেশনে বসে থাকতে পারেন। চাইলে জঙ্গলের বুক-চেরা রাস্তা দিযে হেঁটে আসতে পারেন। আর নইলে কয়েক ঘণ্টার জন্য একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে আশপাশের এলাকা ও প্রকৃতি ঘুরে দেখতে পারেন।
হয়ত গিয়ে দেখবেন অন্য কোনও পর্যটক নেই। হয়ত আপনারাই একমাত্র পর্যটক। দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। ভাল জায়গায় অল্প লোকেই যায়।
আচ্ছা, লাইব্রেরি দপ্তরের জন্য যথার্থ শিক্ষত, বই মনষ্ক লোকের কি সত্যিই এত অভাব? এই দপ্তরটাকে আস্তাকূঁড় ভেবে নেওয়া কি খুব জরুরি? মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলতে ইচ্ছে করে, কাকে দিলেন রাজার পার্ট?
গোটা ভাগলপুরের বাজার জুড়ে যেদিকেই তাকাই সেদিকেই শুধু আমের পাহাড়। সেই দৃশ্য না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। এখন এমন একটা সময় যেখানে সবজি বাজারে সবজির দেখা পাওয়া ভার। বাজারের মাঝখান দিয়ে হেঁটে গেলে চারিদিকে রসরাজ আম তাদের নধর চেহারা নিয়ে বিরাজ করছেন। যেমন তার স্বাদ, তেমনই তার সুগন্ধ।
দুজনেরই হয়তো এটাই শেষ বিশ্বকাপ। কাউকে হয়তো মাঝপথেই থেমে যেতে হবে। কিন্তু ষষ্ঠ বিশ্বকাপেও দুই মহাতারকা যেভাবে ফর্মের শিখরে আছেন, তাঁরা দুজনেই যেন নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। সারাজীবন যেমন উজ্জ্বল হয়ে থেকেছেন, তাঁদের বিদায়বেলাও তেমনই উজ্জ্বল হয়ে উঠুক। অস্তরাগের আলোয় দুজনেই রাঙিয়ে দিয়ে যান বিশ্বকাপের আকাশ।
অতএব, অভিষেকের বাড়িতে পৌরসভা নোটিশ পাঠাবে। আপনার বাড়ির পাঁচিলটা একটু বেরিয়ে আছে, এই মর্মে জবাবদিহি চাওয়া হবে। কখনও মাঝরাতে সিআইডি হানা দেবে। এই ছ্যাবলামি টুকুই আমরা দেখব। তাই নিয়ে ধেই ধেই করে নাচবো। কোন তদন্ত নয়, কোন সুবিচারও নয়, দিনের শেষে এই ছ্যাবলামি টুকুই আমাদের প্রাপ্য।
স্মৃতিটুকু থাক একবার হোলির সময় আমরা কয়েকজন বন্ধু দল বেঁধে বেড়াতে গিয়েছিলাম গালুডি। ঘাটশিলা পেরিয়ে সেই গালুডি খুব সুন্দর জায়গা। কুলকুল করে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। নদীর পাড়েই মহুয়া খাচ্ছিল একদল...
এদের হাতে আর যাই হোক, বিধানসভার সুরক্ষিত থাকতে পারে না। এখনও অধিবেশন শুরুই হল না। তার আগেই একরাশ কলঙ্ক নিয়ে পথ চলা শুরু করল নতুন বিধানসভা। এ কত বড় লজ্জা, এটুকু বোঝার ক্ষমতা স্পীকার সাহেবের নিশ্চিতভাবেই এখনও হয়নি।