ফেলে আসা পুজোর দিনগুলো
আমার কাছে পুজো মানে শুধু সেজেগুজে ঘুরে বেড়ানো নয়। আমার কাছে পুজো মানে মায়ের কাছে বসে থাকা, মায়ের পুজোর জোগাড় করা, ঘর ভর্তি আলপনা দেওয়া, আম পল্লব টাঙ্গানো, দরজায় দরজায় সিঁদুর দেওয়া, মায়ের সঙ্গে কথা বলা, মাকে সাজানো, মাকে খাওয়ানো, মায়ের জন্য ভোগ রান্না করা- এর এক আলাদা আনন্দ। আলাদা অনুভূতি। যাদের কাছে পুজো মানে শুধুই সেজেগুজে ঘুরে বেড়ানো, রেস্টুরেন্টে খাওয়া তারা এই অনুভূতিটা বুঝবে না। তাদের সেই আনন্দ আমি উপভোগ করতে পারব না। আর আমার এই আনন্দ তারাও বুঝতে পারবে না। আমার এই আনন্দ আমার ঐশ্বর্য।
আবৃতিতেও জুটিটা খুব জরুরি
শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা।
ইতিহাস বিস্মৃত বাঙালি যদি একবার কর্মাটাঁড়ে যেত!
ইতিহাস বিস্মৃত জাতি হিসেবে বাঙালির বিশেষ একটা ‘সুনাম’ আছে। ইতিহাস তাঁর ভেতর রোমাঞ্চ আনে না। তাঁকে শিহরিত করে না। তাই বছরভর বাঙালি এত এত জায়গায় বেড়াতে যায়, তাঁদের কজনই বা আসেন এই কর্মাটাঁড়ে! আপনার পরিচিত একশো জনের মধ্যে খোঁজ নিন। দেখুন, একজনও সেখানে যাননি।
বেঙ্গল টাইমস। শারদ সংকলন ২০২৫
বক্সার দুর্গে সঙ্কোচের পাঁচিল
বিষ্ণুপুরের সেনবাড়িতে মা সারদা
প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক বিষ্ণুপুরে ভ্রমণ করলেও এরকম একটি পুণ্যস্থান দর্শন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রচারের অভাবেই। তাই পর্যটন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, এ বিষয়ে একটু উদ্যোগী হোন। সেনবাড়িটিকে ঘোষণা করা হোক হেরিটেজ বিল্ডিং রূপে। যেখানে গেলে মায়ের ব্যবহৃত গৃহটিকে দেখার ও শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ হবে।
গল্প: টার্নিং পয়েন্ট
সম্ভাব্য ‘প্রাক্তন’
মোদ্দা, কথা বিজেপি, জেডিইউ, এলজেপি জোট আদৌ ক্ষমতায় আসবে কিনা সংশয়। আর এলেও নীতীশ কুমারই ফের মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এমনটা বলা যাচ্ছে না। বলা হলেও হয়তো অল্প কয়েকদিনের জন্য। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই অন্য সমীকরণ হাজির হয়ে যাবে। তাই গত বছর নবীনবাবু প্রাক্তন হয়েছেন। এবার নীতীশ কুমার প্রাক্তন হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
সব কাজেই ঝোলান! আপনি মশাই নির্ঘাত সিবিআই
আপনাকে বলা হয়েছিল, ২ কেজি আলু আনতে। তার বদলে আপনি কত জায়গায় না চক্কর কাটলেন। তারপর রান্নার মাসিকে সেই আলু দেওয়ার বদলে আপনার বিস্তর গবেষণা ও কাগজপত্র জমা দিলেন। সেই রান্নার মাসি বেচারা কী করবেন, বুঝে উঠতেই পারছেন না।
আপনার নাম তাহলে কী দাঁড়াল?
উত্তর: সিবিআই
