বেঙ্গল টাইমস। বিশেষ পাহাড় সংখ্যা।।
শীত এলেই বাঙালির মন উড়ু উড়ু। সেই আবেগকে সম্মান জানিয়েই এবার বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ পাহাড় সংখ্যা। এবার শুধুই ভ্রমণ। তবে, চেনা কক্ষপথে নয়। পাহাড়ের কিছু অচেনা ঠিকানায়। শহুরে পর্যটন কেন্দ্রে নয়, মূলত পাহাড়ি গ্রামের দিকে। এই পাহাড় সংখ্যা পিডিএফে আপলোড করা হল। নীচের লিঙ্কে ক্লিক করলেই পড়তে পারবেন। অথবা, নীচে প্রচ্ছদের ছবিতেও ক্লিক করতে পারেন। সেখান থেকেও পড়তে পারেন।
কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে
সবাই সবকিছু বোঝে। কাউকে কিছু বোঝাতে যাবেন না। আপনি যেটা ফেসবুক দেখে জেনেছেন, সেই মানুষটা সেটা জেনেছেন জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে। রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।
পাংচুয়্যাল পাখি
আমাদের সাহিত্যকে মাথায় করে রেখেছে বাংলাদেশই
সে দেশের চ্যানেলে আমাদের সাহিত্যিককে এত গুরুত্ব দেওয়া হয় কেন? কারণ, সে দেশের দর্শক তাই চান। ও দেশের মানুষ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বা সমরেশ মজুমদারের একটা ইন্টারভিউ দেখার সুযোগ পেলে অন্য সব হাতছানিকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। এই কারণেই সে দেশের প্রথমসারির চ্যানেলগুলিও আমাদের সাহিত্যিকদের এই সম্মান দেখিয়ে থাকে।
মোদি মোটেই সম্পদ নন, আস্ত বোঝা, বঙ্গ বিজেপি কবে যে বুঝবে!
অন্য রাজ্যে সিবিআই, ইডি কত সক্রিয়। অথচ, এই রাজ্যের বেলায় তা ভয়ঙ্করভাবে নিষ্ক্রিয়। যেটার তদন্ত করলে সাতদিনও লাগার কথা নয়, সেই তদন্ত করতে বছরের পর বছর লাগিয়ে দেয়। তারপর বিস্তর তদন্ত করে এই সিদ্ধান্তে আসে, রাজ্য সরকার সহযোগিতা করছে না। আরে বাবা, রাজ্য সহযোগিতা করবে না বলেই তো কোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়।
পাখির কোনও সীমান্ত নেই
শীত এলেই ওরা হাজির। বছরের পর বছর পরিযায়ী পাখিরা হাজির হয়ে যায় সাঁতরাগাছির ঝিলে। কেমন আছে সেই পরিযায়ীর দল?
বাংলায় বাংলা যখন তৃতীয় ভাষা
মধ্য কলকাতার কোনও জায়গায় যদি সারাদিন কাটান, মনেই হবে না আপনি বাংলায় আছেন। এমনকী বাঙালিরাও বাংলা বলতে চাইছেন না। বাসের ড্রাইভার, কনডাক্টর, অটোচালক হিন্দি বলতেই ব্যাকূল।
বাঙালি আর পশ্চিমে যায় না
এখন ট্যুর অপারেটরদের পাল্লায় পড়ে বাঙালি অনেক দূরে দূরে যেতে শিখেছে। কথায় কথায় কাশ্মীর, রাজস্থান, আন্দামান ছুটছে। কেউ কেউ তো ইউরোপ, আমেরিকা ট্যুর করে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু ঘরের কাছে এই প্রিয় জায়গাগুলো যেন মানচিত্রের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।
অথচ, কয়েক দশক আগেও ছবিটা এমন ছিল না। বাঙালি একটু অবসর পেলেই ছুটত শিমুলতলা, মধুপুর, গিরিডি, তোপচাঁচি, হাজারিবাগ। হাওয়া বদল বা পশ্চিমে যাওয়া বলতে এগুলোকেই বুঝত।
কর্মাটাঁড়ের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার
মংপুতে তিনবার গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। থাকতেন মৈত্রেয়ী দেবীর বাড়িতে। বাড়িতে না বলে কোয়ার্টারে বলাই ভাল। মৈত্রেয়ী দেবীর স্বামী চাকরি করতেন কুইনাইন ফ্যাক্টরিতে। তাঁর বাংলোতেই অতিথি হয়ে উঠতেন বিশ্বকবি। তখন জীবনের প্রান্তবেলা। ঘুরে বেড়ানোর তেমন সামর্থ্য নেই। পাহাড়ি সেই জনপদে বাঙালি প্রায় ছিল না বললেই চলে। অধিকাংশই নেপালি। ফলে, রবীন্দ্রনাথ কী লেখেন, সেসব বোঝা তাঁদের কম্ম নয়। তবু সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় লেগে যেত। আসলে, কবির কাছে নয়, তাঁরা আসতেন ডাক্তারের কাছে। এখানে রবি ঠাকুরের পরিচিতি ছিল হোমিওপ্যাথি ডাক্তার হিসেবে। তিনি এই পাহাড়ি মানুষদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করতেন, ওষুধ দিতেন।
