৪ আগস্টের ডায়েরি। কুণাল দাশগুপ্ত

বইয়ের বিষয় কিশোর কুমার। লেখক কুণাল দাশগুপ্ত। এক কিশোর অনুরাগীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। কিশোর কুমারের জন্মদিনে মাঝে মাঝেই বেঙ্গল টাইমসে কলম ধরেছেন কুণাল দাশগুপ্ত। প্রতিবার নতুন নতুন আঙ্গিকে। একদিকে গবেষণা, অন্যদিকে তীব্র...

ভোগান্তির আরেক নাম সাঁতরাগাছি স্টেশন

হাওড়ার বোঝা যেন কিছুটা কমে, সেই লক্ষ্যেই সাঁতরাগাছি স্টেশনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রায় পনেরো বছর ধরে এই কথা শুনে আসছি। বেশ কিছু ট্রেনকে হাওড়া থেকে সরিয়ে জোর করে...

সঞ্জয়ের ফাঁসি মানেই আরও একটা প্রমাণ লোপাট

সঞ্জয় যদি ফাঁসিতে ঝুলে পড়ে, তাহলে অনেকের অনেক সুবিধা হয়। রাজ্য সরকার ও সিবিআই— দুই চূড়ান্ত অপদার্থ সংস্থাই দু’‌হাত তুলে উদ্বাহু নৃত্য করতে পারবে। নিজেরাই নিজেদের সাফল্যের ঢাক বাজাবে। আর অন্তত বড় সড় দুর্নীতি বেরিয়ে আসার তেমন সুযোগ থাকবে না। আরও কারা কীভাবে জড়িত, এই ব্যাপারে যে মানুষটা সবথেকে বড় সাক্ষী হয়ে উঠতে পারত, সে যদি ফাঁসি কাঠে ঝোলে, তাহলে আর চিন্তা কী?‌

উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু

বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।

নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ ‌কলকাতার নানা প্রান্তে নানা মূর্তি। কোথাও লেনিন তো কোথায় গোষ্ঠ পাল। কোথাও উত্তম কুমার তো কোথাও অরবিন্দ। কোথাও বঙ্কিমচন্দ্র তো কোথাও নেতাজি। এই শহরে নেতাজি মূর্তি বলতে...

বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!‌

মিডিয়া সমাচার   কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা...

বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ১৭ জানুয়ারি সংখ্যা

১৭ জানুয়ারি। দিনটি বাঙালির কাছে বয়ে এনেছে দুটি দঃসংবাদ। ২০১০ সালের এই দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন জ্যোতি বসু। ঠিক তার চার বছর পর এই দিনে চির নির্বাসনে চলে যান সুচিত্রা সেন।...

আর কবে তালা ঝুলবে সিবিআই দপ্তরে!‌

সঞ্জয় রায় শুধু একজন মহিলাকে ধর্ষণ করেছেন। এই ‘‌প্রভাবশালী’‌রা দেশের সংবিধান, বিচার থেকে শুরু করে আপনার–‌আমার বিশ্বাসকে ধর্ষণ করেছেন। ঘৃণা যদি করতে হয়, এঁদের করুন। ‌

খুব তো সিবিআই চেয়েছিলেন‌!‌ এবার শিক্ষা হল তো!‌

অনেককে বলতে শুনি, সিবিআই–‌এর ওপর আস্থা আছে। সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা আছে। এর চেয়ে ভন্ডামি আর কিছু হয় না। কেন আস্থা আছে, বুঝি না। লোকদেখানো দু একটা চুনোপুঁটি ধরা আর গ্যালারি শো করা ছাড়া আস্থা অর্জনের জন্য সিবিআই কী এমন করেছে?‌ কেন আমরা জোর গলায় বলতে পারি না, সিবিআই–‌এর প্রতি এতটুকুও আস্থা নেই। সিবিআই আগে আস্থার যোগ্য হয়ে উঠুক।

নাটোরের বনলতা নয়, আমাদের সুচিত্রা সেন

স্বয়ং সুচিত্রা সেন ফোন করে ইন্টারভিউ দিতে চাইলেন! কিন্তু ছবি তুলতে বাধা দিলেন কেন? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।। হঠাৎ বেজে উঠল মোবাইলটা। অচেনা নম্বর। সাতসকালে কে আবার ফোন করে জ্বালাত করছে!...