ভোগান্তির আরেক নাম সাঁতরাগাছি স্টেশন
সঞ্জয়ের ফাঁসি মানেই আরও একটা প্রমাণ লোপাট
সঞ্জয় যদি ফাঁসিতে ঝুলে পড়ে, তাহলে অনেকের অনেক সুবিধা হয়। রাজ্য সরকার ও সিবিআই— দুই চূড়ান্ত অপদার্থ সংস্থাই দু’হাত তুলে উদ্বাহু নৃত্য করতে পারবে। নিজেরাই নিজেদের সাফল্যের ঢাক বাজাবে। আর অন্তত বড় সড় দুর্নীতি বেরিয়ে আসার তেমন সুযোগ থাকবে না। আরও কারা কীভাবে জড়িত, এই ব্যাপারে যে মানুষটা সবথেকে বড় সাক্ষী হয়ে উঠতে পারত, সে যদি ফাঁসি কাঠে ঝোলে, তাহলে আর চিন্তা কী?
উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু
বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।
নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি
বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!
বেঙ্গল টাইমস। ই–ম্যাগাজিন। ১৭ জানুয়ারি সংখ্যা
আর কবে তালা ঝুলবে সিবিআই দপ্তরে!
সঞ্জয় রায় শুধু একজন মহিলাকে ধর্ষণ করেছেন। এই ‘প্রভাবশালী’রা দেশের সংবিধান, বিচার থেকে শুরু করে আপনার–আমার বিশ্বাসকে ধর্ষণ করেছেন। ঘৃণা যদি করতে হয়, এঁদের করুন।
খুব তো সিবিআই চেয়েছিলেন! এবার শিক্ষা হল তো!
অনেককে বলতে শুনি, সিবিআই–এর ওপর আস্থা আছে। সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা আছে। এর চেয়ে ভন্ডামি আর কিছু হয় না। কেন আস্থা আছে, বুঝি না। লোকদেখানো দু একটা চুনোপুঁটি ধরা আর গ্যালারি শো করা ছাড়া আস্থা অর্জনের জন্য সিবিআই কী এমন করেছে? কেন আমরা জোর গলায় বলতে পারি না, সিবিআই–এর প্রতি এতটুকুও আস্থা নেই। সিবিআই আগে আস্থার যোগ্য হয়ে উঠুক।
