অমিত শাহ যে আস্ত বোঝা, রাজ্য বিজেপি কবে বুঝবে!‌

এই সিবিআই কে চালায়?‌ তৃণমল চালায় না। সিপিএম চালায় না। কংগ্রেসও চালায় না। দেশের সবথেকে অপদার্থ একটি সংস্থার দায়িত্বে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিই সিবিআই–‌কে এমন হাস্যকর জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি নাকি আয়রন ম্যান। তিনি নাকি চানক্য। তিনি নাকি দারুণ সাহসী। তাহলে সিবিআই মাসের পর মাস ঘুমিয়ে থাকে কেন?‌ সত্যি করে বলুন তো, এমন ব্যর্থ এবং এমন ভীতু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দেশ কখনও দেখেছে?‌ এমন সীমাহীন ব্যর্থতার পর তিনি কিনা এই রাজ্যে এসে কর্মীদের চাঙ্গা করেন।

কেন এত চাঁদা উঠছে?‌ প্রশ্ন নয়, আত্মসমীক্ষা করুন

এই ডাক্তাররা সরকার চালান না। এঁদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে পাওয়ার কিছুই নেই। তারপরেও মানুষ কেন দিচ্ছেন?‌ এই প্রশ্নটা কেউ ভেবে দেখেছেন?‌ যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁদের অধিকাংশই এঁদের চেনেনও না। এঁরাও তাঁদের চেনেন না। কিন্তু তারপরেও ভিন রাজ্যের এমনকী ভিন দেশের মানুষরা টাকা দিতে চাইছেন। কেন?‌ টাকা দিয়ে তাঁদের কী লাভ?‌ আসলে, এঁদের আন্দোলন কোথাও একটা এমন স্তরে পৌঁছেছে, যেখানে মানুষের মনে হচ্ছে, এঁদের পাশে থাকা দরকার। মানুষের কোথাও একটা মনে হচ্ছে, এঁদের লড়াইয়ে আমার এটুকু অন্তত অবদান থাকুক। দিয়ে তিনি নিজেও কোথাও একটা মানসিকভাবে তৃপ্তি পাচ্ছেন।

মীনাক্ষীতে হাত পুড়ল, তাই তন্ময় নতুন শিকার নন তো!‌

তন্ময়বাবুর বিষয়টি নিয়েও সন্দেহ হচ্ছে। সেই মহিলা সাংবাদিকের অভিযোগের প্রতি এবং তাঁর প্রতিবাদের প্রতি সম্মান জানিয়েও বলতে হচ্ছে, তিনিও রাজনৈতিক পুতুল হয়ে গেলেন না তো?‌ মীনাক্ষীর ব্যাপারে যে দুই মুখপাত্র সোচ্চার হয়েছিলেন, এক্ষেত্রেও তা্ঁদের অতি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। একটা বিকৃত প্রচার বুমেরাং হয়ে গেল, তাই অন্য কোনও বিকৃত প্রচারকে সামনে আনার নোঙরা উদ্দেশ্য নয় তো!‌