এমন অনেক অজানা ঘটনা। যা খেলার মাঠের আড়ালে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনাকে চিনিয়ে দিয়ে যায়। সাক্ষীর পথ চলার পাশাপাশি সেই সময় ও সতীর্থদেরও চেনা যায়। এই দেশে কুস্তির বিবর্তনের ইতিহাসটাও কোথাও একটা ধরা পড়ে। তাই কে লিখে দিলেন, বা কে পড়ে দিলেন, এই বিতর্ক থাক। এই জাতীয় বই আরও লেখা হোক। এই বইগুলোই তো দলিল হয়ে থেকে যাবে।
অনেককে বলতে শুনি, সিবিআই–এর ওপর আস্থা আছে। সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা আছে। কেন আস্থা আছে, বুঝি না। লোকদেখানো দু একটা চুনোপুঁটি ধরা আর গ্যালারি শো করা ছাড়া আস্থা অর্জনের জন্য সিবিআই কী এমন করেছে? কেন আমরা জোর গলায় বলতে পারি না, সিবিআই–এর প্রতি এতটুকুও আস্থা নেই। সিবিআই আগে আস্থার যোগ্য হয়ে উঠুক।
টিভিতে সিরিয়ান মানেই যেন অলঙ্কারের বিজ্ঞাপন। রান্নাঘরে রান্না করছে, গা ভর্তি গয়না। ড্রয়িংরুমে কুটকচালি করছে। সেখানে গয়না। পাঁচ মহিলা দাঁড়িয়ে ঝগড়া করছে, পাঁচজনের গায়েই দামী শাড়ি, পাঁচজনের পরণেই যেন বিয়েবাড়ির সাজ। সে ভোরের দৃশ্য হোক বা রাতের। সিনেমাতেও কায়দা করে পিসি চন্দ্র, অঞ্জলি জুয়েলার্স, বলরাম বসাক— এসব ঢুকে পড়ছে। কখনও দোকানের ছবিতে, কখনও নায়ক–নায়িকার সংলাপে। এভাবে বাঙালির অন্দরমহল না জেনে, না বুঝে গিলছে অলঙ্কারকে।