ধারাবাহিক লেখা
বেঙ্গল টাইমসে আগেও ধারাবাহিক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আবার ধারাবাহিক লেখায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ধারাবাহিক উপন্যাস হতে পারে। বড় গল্প হতে পারে। শব্দ সংখ্যা: দশ থেকে পনেরো হাজার।
বেঙ্গল টাইমসে আগেও ধারাবাহিক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আবার ধারাবাহিক লেখায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ধারাবাহিক উপন্যাস হতে পারে। বড় গল্প হতে পারে। শব্দ সংখ্যা: দশ থেকে পনেরো হাজার।
ধরেই নিলাম, এই আন্দোলনকারীরা বিজেপির ক্যাডার। তার মানে, বিজেপির ক্যাডার দেখে তাঁদের উত্তরবঙ্গে বদলি করা হয়েছিল? শিক্ষামন্ত্রী কার্যত সেটাই স্বীকার করে নিলেন। তারপরেও গলা ফাটিয়ে ফেসবুকে ভাষণ দিলেন! নাট্যকার বা অভিনেতা হিসেবে ব্রাত্য বসুর একটা সম্মানের জায়গা আছে। এইসব বালখিল্য ফেসবুক পোস্ট একজন শিক্ষামন্ত্রীকে মানায়! নিজের চেয়ারের মূল্য কবে আর বুঝবেন!
ইদানীং অসংখ্য ইউটিউব চ্যানেল হয়েছে। তাঁরা অন্তত এইসব কৃতী মানুষদের সাক্ষাৎকার রেকর্ড করে রাখছেন। তাই কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। নিজেদের সম্পর্কে আমরা সত্যিই বড় উদাসীন। ফলে, একের পর এক ইতিহাস ও অজানা গল্প ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। সেইসব পুরনো দিনের কথা বলার লোকগুলোও হারিয়ে যাচ্ছেন। এখনও সময় আছে, এগুলো সংরক্ষণ করে রাখা খুব জরুরি। যে যার মতো করে সেই কাজ শুরু করুন।
প্রশ্ন হল, প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখতে হবে কেন? পেট খারাপ হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, ওষুধ খেতে হবে। এর জন্য তো মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার কিছু নেই। এর পরেও এই ক্লাবকর্তারা উৎসব করছেন। হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে পোজ দিচ্ছেন। বাতেলা দিচ্ছেন। বারবার মুখ্যমন্ত্রীর শরণ নিতে হচ্ছে, এটা কতবড় লজ্জার, এই সামান্য বিষয়টা বোঝার বুদ্ধিটুকুও এই কর্তারা হারিয়ে ফেলেছেন।
আপনি ইতিহাসের ভারী ভারী বই পড়েছেন। কিন্তু এত ফেবু কমেন্ট পড়েছেন? এবার নিশ্চয় পড়লেন? মাত্র একটা লেখা লিখে কত পরিচিতি পেয়ে গেলেন। কেউ কেউ বলছে, কী সুন্দর লেখা। বলছে, বলুক। আপনি জাগো বাংলায় লিখেছেন, আর কিচ্ছু শুনতে চাই না। আপনাতে শুলে না চড়াতে পারলে আমাদের শান্তি নেই।
একদিন–দুদিন নয়। প্রায় দু’বছর এরকম একটা অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে এপার বাংলার এই জনপ্রিয় লেখককে। আমরা কোনও খোঁজও রাখিনি! এত এত লোক লেখকের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করেন। পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন। তাঁদের কজন জানতেন? কজন খোঁজ রেখেছিলেন?
এই দিনে কতকিছু! এই পনেরোই আগস্ট ভারতের বুকে চলতে শুরু করেছিল ট্রেন। বম্বে থেকে থানে। সেই রেলযাত্রা ও তার বিবর্তনের কথা তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর ।।
শুধু স্বাধীনতা আসেনি, আরও অনেককিছু ঘটেছিল এই ১৫ ই আগস্ট। সেদিকেই আলো ফেললেন ময়ূখ নস্কর।
পাড়ায় আজকাল আর মাইক বাজে না। রেকর্ডের যুগ তো কবেই ফুরিয়েছে। ক্যাসেটও যেন লুপ্তপ্রায় প্রজাতি। তবু গান কিন্তু থেমে নেই। নানা বিবর্তনের পরেও নানা উপলক্ষে সে ঠিক বেজে ওঠে। সে পঁচিশে বৈশাখ হোক বা পয়লা জানুয়ারি। সে ছাব্বিশে জানুয়ারি হোক বা পনেরোই আগস্ট।
পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।