অজন্তাকে অন্য শিবিরে না পাঠানো পর্যন্ত তৃপ্তি হচ্ছে না?‌

জাগো বাংলা তো ঠিক সেটাই চেয়েছিল। এত এত তৃণমূল নেতা নেত্রীর লেখা ছেপে যত না প্রচার পেয়েছে, একা অজন্তার লেখাই তার পঁচিশগুণ প্রচার এনে দিল। বাম মহল সারাজীবনে যতবার গণশক্তি শব্দটা উচ্চারণ করেছেন, তার থেকে বেশিবার এই কদিনে ‘‌জাগো বাংলা’‌ শব্দটা উচ্চারণ করলেন। সত্যিই, ফাঁদে পা দেওয়ার ব্যাপারে বামেদের বিকল্প নেই।

বাঙালির যত আগ্রহ, রবি ঠাকুরের বউদি ঘিরে

কারা কারা রবীন্দ্রনাথকে দুশ্চরিত্র মনে করেন, হাত তুলুন। রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। বাইশে শ্রাবণেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

স্মৃতিটুকু থাক শ্রাবণ মাসে শিবের মাথায় জল ঢালার একটা রেওয়াজ প্রায় সব জায়গায় আছে। বিশেষ করে বাবা তারকনাথ ছবি রিলিজ করার পর এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। অনেক জায়গায় এই জল...

কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

কত চিঠি লেখে লোকে, কত সুখে প্রেমে আবেগে স্মৃতিতে, কত দুঃখে ও শোকে। সেই কতকাল আগে লেখা সুকান্তর কবিতা। কিন্তু এখন যেন চিঠি লেখার রেওয়াজটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ডাকবাক্সগুলো প্রায় ফাঁকাই পড়ে থাকে। শেষ আপনার বাড়িতে কবে চিঠি এসেছে, মনে করে দেখুন। ইলেকট্রিক বিল, টেলিফোন বিল দিতে পিওন মাঝে মাঝে আসে ঠিকই। কিন্তু ব্যক্তিগত চিঠি শেষ কবে এসেছে?

কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!

মস্ত এক ঝুঁকি নিয়েছিলেন শ্যামল মিত্র। চেয়েছিলেন উত্তম কুমারের লিপে তাঁর গান থাকুক। তাই দেয়া নেয়া ছবির প্রোডিউসার হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর বাকিটা ইতিহাস। মহানায়ক ও শ্যামল মিত্রর এমন কিছু অজানা কাহিনি উঠে এল সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

পুজো সংখ্যায় এত তাড়াহুড়ো কেন?‌

আনন্দমেলা পুজো সংখ্যা বেরোলো গত সপ্তাহে। সাতদিন যেতে না যেতেই আনন্দবাজার। এত তাড়াহুড়োর কী আছে?‌ পাঠককে পড়ার সময় দিতে হবে তো। আনন্দবাজার হাতে এসে যাওয়া মানেই আনন্দমেলার প্রতি অবিচার হবে। তাকে তোলাই থাকবে। এ তো মাংস পড়তে না পড়তেই মিস্টি, দই দেওয়ার মতোই ব্যাপার। একই প্রতিষ্ঠান থেকে যখন বেরোচ্ছে, তখন একটু সমন্বয় থাকলে ক্ষতি কী?‌ লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।

লোকে যতটা পাগল ভাবে, অতটা পাগলও নই

মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

বাড়ির ড্রয়িংরুম থেকে রবি ঠাকুরের গানকে এনেছিলেন পুজো প্যান্ডেলে

শুরুতে অনেকেই নাক সিঁটকেছিলেন। কিন্তু সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্রনাথের গানে খালি গলার কিশোরকে ব্যবহার করার সাহস দেখিয়েছিলেন। আটের দশকে এল বেসিক অ্যালবাম। রবি ঠাকুরের গান বাড়ির ড্রয়িংরুম থেকে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে নিয়ে গিয়েছিলেন কিশোর কুমার। তাঁর কণ্ঠেই ‘‌অরাবীন্দ্রিক’‌দের কাছে অমরত্ব পেয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। জন্মদিনে কিশোর কুমারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালন কুণাল দাশগুপ্ত।

একই গান, টেক্কা দিয়ে গেছেন অন্যদের

একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

সাসপেন্স আনতে গিয়েই ছবির বারোটা বাজালেন

একজন কিশোরকণ্ঠী গায়ককে নিয়ে ছবি। রাতের পর রাত জেগে ফাংশান, শিল্পী হয়েও শিল্পীর মর্যাদা না পাওয়া, কপি সিঙ্গার তকমা নিয়ে থাকা, আর এই কপি সিঙ্গারের তকমার জন্যই সিনেমায় ডাক না পাওয়া। এমন অনেক দিক থাকতে পারত। খ্যাতির আড়ালে অনেক দীর্ঘশ্বাস, লুকোনো যন্ত্রণা উঠে আসতে পারত। শুরুটা ঠিকঠাক এগোচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ অপহরণের গল্পটা কেন যে ফেঁদে বসতে গেলেন!‌ বাংলার একজন কপি সিঙ্গারকে কিনা রাজস্থানের জঙ্গিরা অপহরণ করতে যাবে?‌ কোন যুক্তিতে?‌