অনেকের সামনেই এখন অখণ্ড অবসর। এই অবসরে অনেকেই মগ্ন সিনেমা দেখায়। হইচই, নেটফ্লিক্স বা ইউটিউবে অনেকেই নানা ছবি দেখছেন। হয়ত আগে দেখার ইচ্ছে থাকলেও দেখা হয়নি। হয়ত দেখেছেন, আবার দেখলেন। সবমিলিয়ে পুরনো ছবিকে নতুন আঙ্গিকে দেখার চেষ্টা। শুরু হয়ে যাক জমজমাট আলোচনা।
নেপোটিজম নিয়ে দিনের পর দিন চর্চা হল। কেউ বলছেন, বান্ধবী নাকি অনেক টাকা সরিয়েছেন। আরও কত কথা উঠে আসছে। কেন জানি না, আমার মনে হয় এটা নিখাদ আত্মহত্যা। সেটাকে কেন জোর করে খুন বলে চালানোর চেষ্টা হচ্ছে, বুঝি না। জোর করে একটা চাঞ্চল্য তৈরি করতেই হবে!
এটা ঠিক, শুভেন্দুর পক্ষে মান সম্মান নিয়ে তৃণমূলে থাকা কঠিন। তাঁকে যতই গুরুত্ব দেওয়ার অভিনয় করা হোক, তিনি নিজে জানেন, একুশের নির্বাচনে তৃণমূল জিতলে তাঁর ডানা ছাঁটার কাজটা একটু একটু করে শুরু হবে। ক্রমশ তাঁকে অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার চেষ্টা হবে। ডানা ছাঁটার চেষ্টা যে এখনই হচ্ছে না, তা নয়। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নানাভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
লকডাউনে কাঁহাতক আর গৃহবন্দি হয়ে থাকা যায়! কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। চলো পানসি, বেলঘরিয়া। থুড়ি, মন্দারমণি। লিখেছেন হেমন্ত রায়।
গত বছরের মতো এবারও। বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রকাশিত হবে পুজোর অনেক আগেই।এখন থেকেই তার প্রস্তুতি। থাকবে অণু উপন্যাস, গল্প, অণু গল্প, ফিচার। সিনেমা, ভ্রমণ, খেলা নিয়েও থাকবে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন।
যেভাবে দ্রুত ওষুধ আনার কথা শোনানো হচ্ছে, তাতে এখন থেকেই নকল ওষুধের রাস্তা খুলে দেওয়া হচ্ছে না তো! দেখা যাবে, আসল ওষুধ বাজারে আসার আগেই নকল ওষুধে বাজার ছেয়ে গেছে। সস্তায় লোকে সেই ওষুধই গ্রহণ করছে। এতে হীতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা। তাই এখন থেকেই সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সংক্রমণের মধ্য দিয়ে হার্ড ইমিউনিটি বলি, শিথিল অথবা হার্ড লকডাউনই বলি, কোনটা যৌক্তিক, কোনটা যৌক্তিক নয়, আর এর বাস্তবায়নে কাঠামো এবং পদ্ধতিগত রূপরেখা চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায় এবং অধিকার, কোনওটাই একজন সাধারণ নাগরিকের পক্ষে নেওয়া সম্ভব নয়। এই নাগরিক বিশ্বের যে প্রান্তেই অবস্থান করুন না কেন। এ এক বাতুলতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু অবশ্যই রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের সুস্পষ্টতাকে দেখতে পাওয়া, সুনিশ্চিত হওয়া এবং শঙ্কাহীন জীবন প্রত্যাশা করা যে কোনও বিশ্ব নাগরিকের অধিকার ভুক্ত।লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।
সিবিআই তদন্ত শুনে উল্লসিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। সিবিআই তার বিশ্বাসযোগ্যতাকে এমন স্তরে নামিয়ে এনেছে, তাদের ওপর ভরসা করা সত্যিই বড় কঠিন। সুশান্তের ক্ষেত্রেও তদন্তের নামে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা নয়। একমাসের মধ্যে সমাধান করতে পারলে করুক। নইলে হাত তুলে জানিয়ে দিক, পারছি না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
এমন ন্যক্কারজনক কাণ্ডের পরও প্রশাসন ওই দুর্বৃত্তদের পাশে দাঁড়াতে পারে! এর পরেও মুখ্যমন্ত্রী কিনা দুর্বৃত্তদরে হয়েই ব্যাটিং করলেন! বোঝাই যাচ্ছে, এত সাহস তারা পায় কোথা থেকে। সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড় ভয়ঙ্কর জিনিস।লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
আনন্দমেলার পর এবার আনন্দবাজারের পুজো সংখ্যাও বেরিয়ে গেল।রয়েছে পাঁচটি উপন্যাস। অন্যতম আকর্ষণ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের শবর। করোনা আবহে অনেকেই গৃহবন্দি। অনেকের সামনেই অখণ্ড অবসর। এবারের পুজো সংখ্যা কতটা সাড়া ফেলে, সেটাই দেখার।