জটায়ু আসলে কে? হাইলি সাসপিসিয়াস
জটায়ু আসলে কে? অনেকে টেনে আনবেন রামায়ণের কথা। অনেকে বলবেন, সত্যজিৎ রায়ের তৈরি চরিত্র। ফেলু, তোপসের নামও চলে আসবে। কেউ বলবেন সন্তোষ দত্ত। আসলে, তিনি অন্য একজন। কে ? ফাঁস করলেন স্বয়ং জটায়ু। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
রবি ঠাকুর যেন মুক্তি পেলেন কিশোরের কণ্ঠে
সত্যজিৎ চাইছিলেন নতুন এক কণ্ঠ, যা শান্তিনিকেতনী সংস্কৃতি থেকে অনেক দূরের। তাই ডাক পড়ল কিশোরের। বাকিটা ইতিহাস। আমি চিনি গো চিনি এত জনপ্রিয়তা পেত কিশোর না গাইলে! লিখেছেন কুণাল দাশগপুপ্ত।
যেজন ছিলেন নির্জনে
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালীর আগে নিজের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে। বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
সত্যজিৎ রায়কে খোলা চিঠি
আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
উনি না সুযোগ দিলে কে চিনত?
গুপী–বাঘার গান মানেই অনুপ ঘোষাল। সেই গানের জন্যই পেয়েছেন পরিচিতি। সত্যজিৎ রায়ের প্রতি সেই কৃতজ্ঞতা উঠে এল শিল্পী অনুপ ঘোষালের কথায়। লিখেছেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
যেজন ছিলেন নির্জনে
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
মহারাজা, তোমারে সেলাম
একটা অদ্ভূত ভাললাগা ও ভালবাসা চলে এসেছিল সেই সাড়ে ছয়ফুট দীর্ঘ লোকটার প্রতি। ভদ্রলোকের নামটা ততদিনে জেনে গেছি। প্রায় আমার নিজের নামের মতোই উচ্চারণ। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘সত্যজিৎ’ শব্দটার মধ্যেই আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছি ধীরে ধীরে। শতবর্ষে সত্যজিৎ রায়কে শ্রদ্ধার্ঘ্য। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।
মুকুলের ছায়া থেকে এখনও নিস্তার নেই কুশলের
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে!
বললাম, তোপসে কি বড় হবে না? ওকে একা ছেড়ে দিন না। সে–ও কিছু সমাধান করুক।
এতটুকুও বিরক্ত হলেন না। উনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে। তোপসে ছাড়া সে–ও যে অসম্পূর্ণ।’
