আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
গুপী–বাঘার গান মানেই অনুপ ঘোষাল। সেই গানের জন্যই পেয়েছেন পরিচিতি। সত্যজিৎ রায়ের প্রতি সেই কৃতজ্ঞতা উঠে এল শিল্পী অনুপ ঘোষালের কথায়। লিখেছেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
একটা অদ্ভূত ভাললাগা ও ভালবাসা চলে এসেছিল সেই সাড়ে ছয়ফুট দীর্ঘ লোকটার প্রতি। ভদ্রলোকের নামটা ততদিনে জেনে গেছি। প্রায় আমার নিজের নামের মতোই উচ্চারণ। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘সত্যজিৎ’ শব্দটার মধ্যেই আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছি ধীরে ধীরে। শতবর্ষে সত্যজিৎ রায়কে শ্রদ্ধার্ঘ্য। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।