মুকুলের ছায়া থেকে এখনও নিস্তার নেই কুশলের
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
বললাম, তোপসে কি বড় হবে না? ওকে একা ছেড়ে দিন না। সে–ও কিছু সমাধান করুক।
এতটুকুও বিরক্ত হলেন না। উনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে। তোপসে ছাড়া সে–ও যে অসম্পূর্ণ।’
মন্ত্রী গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রীর বাড়ি। সঙ্গে বাজারের থলি। নিসন্দেহে ভাল উদ্যোগ। কিন্তু এই ছবিটা সব কাগজে বেরিয়ে গেল কী করে? সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে নিশ্চয় ফটোগ্রাফার ছিল না। সাবিত্রী নিশ্চয় কাগজে কাগজে পাঠিয়ে ছাপার অনুরোধ করেননি। এই ছবি যে তুলতে নেই, তুললেও প্রচার করতে নেই, এটা মন্ত্রীমশাইকে কে বোঝাবে!