একটি জীবনের আড়ালে
নিজের কাজের প্রতি নিষ্ঠা বা প্যাশন কাকে বলে, এই ছবি তার একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে। যে কোনও মহৎ কাজের পেছনে কত পরিশ্রম, কত লড়াই, কত উপেক্ষা, কত পাগলামি, কত লুকোনো যন্ত্রণা মিশে থাকে, এই ছবিটা যেন সেই বার্তাও রেখে গেল।
নিজের কাজের প্রতি নিষ্ঠা বা প্যাশন কাকে বলে, এই ছবি তার একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে। যে কোনও মহৎ কাজের পেছনে কত পরিশ্রম, কত লড়াই, কত উপেক্ষা, কত পাগলামি, কত লুকোনো যন্ত্রণা মিশে থাকে, এই ছবিটা যেন সেই বার্তাও রেখে গেল।
অশোক ভট্টাচার্যকে নাকি শিলিগুড়ির প্রশাসক করে রেখে দেওয়া হচ্ছে। এত ধন্য ধন্য রব উঠছে। কলকাতায় ববি হাকিমের নিয়োগ যদি স্বাভাবিক হয়, তাহলে শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের নিয়োগকে অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে কেন? মনে হচ্ছে, কারণ সরকার যে স্বাভাবিক আচরণ করতে পারে, এটাই অনেকে ভুলতে বসেছেন।
সরকারের সমালোচনা করা খুব সহজ। ফেসবুকে মুখ্যমন্ত্রীকে বা প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করাও সহজ। কিন্তু কঠিন সময়ে সীমিত শক্তি, সীমিত সামর্থ্য নিয়েও কিছু ইতিবাচক ছাপ রাখা যেত। তার কতটুকু করা গেল? রাষ্ট্র পারল না, রাজ্য সরকার পারল না। শূন্য আসন পাওয়া একটা দল পরিযায়ীদের তালিকা তৈরি করতে পারল। তাঁদের কাছে সীমিত সামর্থ্য নিয়ে পৌঁছতে পারল। এই কঠিন সময়ে এই চ্যালেঞ্জটা নেওয়া খুব জরুরি ছিল। কিন্তু বাম নেতৃত্ব আবার পিছিয়ে গেলেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
বিরাট, অনুষ্কার কাজই হল রোজ নিজেদের ছবি সাঁটিয়ে যাওয়া। আর কাগজগুলোও বলিহারি। রোজ সেই ছবি ফলাও করে ছাপছে। একটা মাত্র পাতা, তাও ওই ছবি ছেপে ভর্তি করতে হবে! আসলে, বিকল্প ভাবনার বড় অভাব। কঠিন সময়ে কাগজগুলি চ্যালেঞ্জ নেওয়ার চেষ্টাই করল না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
সত্যিই কি জ্ঞানবন্ত নিজের দায়িত্বে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন? নাকি বিশেষ অনুমতি নিতে হয়েছিল ? দ্বিতীয়টার সম্ভাবনাই বেশি। মুখ্যমন্ত্রীকে না জানিয়ে এতবড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার জ্ঞানবন্তের নেই। সেক্ষেত্রে বলা যায়, মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই তাঁর গান বাজানোর ফতোয়া জারি করা হয়েছে।
কোনও বাঙালিকে জিজ্ঞেস করুন, জোড়াসাঁকোয় গেছে কিনা। অধিকাংশ লোক এমন ভান করবে যেন কতই ব্যস্ত! কেউ কেউ লকডাউনের অজুহাত দেখাবেন। মোদ্দা কথাটা হল, অধিকাংশ বাঙালিই ও পথ মাড়ায় না। তার থেকে বাঙালি বোধ হয় মদের দোকানে লাইন দিতেই বেশি ব্যস্ত।
রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
রবীন্দ্রনাথ এমন একটা বিষয়, যাকে ছাড়া চলে না। ঘর সাজাতে রবি ঠাকুর। নিজেকে বুদ্ধিজীবী জাহির করতেও ভরসা সেই রবি ঠাকুর। ট্রাফিক সিগনালেও তিনি, রেস্তোরাঁর মৃদু মন্দ আলোতেও তিনি। তাঁর নিস্তার নেই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।