বাইরেই ছাড়া আছে তিনটি বিদেশি কুকুর। তাদের আহ্বান শুনে শুরুতেই ভয় পেয়ে যেতেই পারেন। মনে হতে পারে, আর ওপরে উঠে কাজ নেই। ফিরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু কুকুরের ভয় কাটিয়ে যদি ওপরে উঠে যান, এক জীবন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। হ্যাঁ, এখানেই তেনজিং নোরগের বাড়ি। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়া সেই তেনজিং। প্রথম এভারেস্টে পা রাখা সেই তেনজিং। এভারেস্ট দিবসে সেই বাড়ির কথাই তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
নবনীতা চক্রবর্তী, লন্ডন সুদূর ইংল্যান্ডে বসে মন পড়ে আছে বাংলায়। নেটে বিভিন্ন কাগজ পড়ছি। বিভিন্ন নোটিফিকেশন চলে আসছে। সোশ্যাল সাইটেও ভারতের, আমার বাংলার কত ঘটনা চোখে পড়ছে। করোনা নিয়ে গোটা...
বেঙ্গল টাইমসের জমজমাট পাহাড় সংখ্যা। বাংলার নানা পাহাড়ের কথা যেমন আছে, তেমনই আছে ভিনরাজ্যের পাহাড়ও। সেইসঙ্গে বাড়তি পাওনা পড়শি দেশ ভুটান।কয়েক মাস আগে প্রকাশিত হয়েছিল। লকডাউনের অখণ্ড অবসরে আবার ফিরিয়ে আনা হল। ডাউনলোড করে দ্রুত পড়ে ফেলা যায়।
কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।
সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি গতকাল টিভি চ্যানেলে দেখলাম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী উম্ফুন ঝড়ের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন। যা যা তিনি বলেছেন তার সারমর্ম, ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ বাংলায় তাঁর পরিচালিত সরকার এবং প্রশাসন সীমাহীন তৎপরতার সঙ্গে...
ওই দুর্গম পাহাড়ি পথেও ছেলে মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে। যাওয়াটা না হয় সহজ। নেমে গেলেই হয়। কিন্তু কার্শিয়াং থেকে হেঁটে ফিরে আসছে! সত্যিই পেন্নাম করতে ইচ্ছে হল। আমরা যদি এই দুর্গম এলাকায় থাকতাম, কোনকাল লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে দিতাম। ড্রপ আউটের তালিকায় আমাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করত।
কতজন শ্রমিক ভিনরাজ্যে আছেন? রাজ্যের কাছে কোনও তথ্যই নেই। অথচ, সদিচ্ছা থাকলে একদিনেই এই তালিকা তৈরি করা যায়। এমএলএ, মন্ত্রী, এমপি, ডিএম, মুখ্যমন্ত্রী—কাউকে দরকার নেই। এলাকার পঞ্চায়েত মেম্বাররাই পরিস্থিতি অনেকটা সামলে দিতে পারেন। কীভাবে? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
মূলস্রোত মিডিয়ায় অনেককিছুই অদৃশ্য থাকে। বা থাকলেও নেহাতই দায়সারা। সেই কারণেই বইয়ের নাম পাল্টা হাওয়া। এখানে স্রোতের উল্টো দিকে সাঁতার দেওয়ার মতো পঁচিশটি লেখা রয়েছে। বেঙ্গল টাইমসে প্রকাশিত হয়েছে ২০১৯...
কাউকে এমনভাবে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে, মনের প্রসারতা লাগে। সেই প্রসারতাই দেখিয়েছে এক্সট্রা টাইম। অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে তুলে ধরেছে চমৎকার এক শ্রদ্ধার্ঘ্য। রনি রায়ের জীবনের নানা মুহূর্ত। না, রনি রায়রা হারিয়ে যায় না। ঠিক থেকে যায়। লিখেছেন সিকিম সেন।
করোনা বিষয়ে তিনি রাজ্য সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা। অথচ, সরকারের সুরে সুর মেলানো নয়। আবার সরকারকে অহেতুক আক্রমণও নয়। সমস্যাটা কোথায়, সহজভাবে বুঝিয়ে দিলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। চমৎকার একটি সাক্ষাৎকার এবং তার অভিঘাত নিয়ে লিখেছেন অভিরূপ কুমার।