সাহিত্য নির্ভর আরও কত অসাধারণ সিরিয়াল, যেগুলি আমাদের সাহিত্য পড়ার খিদেকে উস্কে দিয়েছিল। এখনকার মতো রোজ হত না। সপ্তাহে নির্দিষ্ট একদিন। সেই অপেক্ষায় বসে থাকতাম। সেই অপেক্ষার আনন্দই ছিল আলাদা।
নতুন সিরিয়াল নির্মাণ করতে যা খরচ, পুরানো সিরিয়াল দেখাতে সেই তুলনায় কোনও খরচই নেই। যেটুকু খরচ, আশা করি বিজ্ঞাপন থেকে নিশ্চয় উঠে যাবে। যাঁরা সারাদিন সিরিয়াল দেখিয়ে বাণিজ্য করছেন, তাঁরা একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আমাদের কৈশোর তখন অমিতাভ–মিঠুনে বিভক্ত। স্পষ্ট এক মেরুকরণ। তার মাঝে সবাইকে একছাতার তলায় এনেছিল সেই রামায়ণ। রবিবার সকাল মানেই রাস্তা ফাঁকা, সবাই তখন টিভির সামনে। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি, কত নস্টালজিয়া। আবার যখন টিভির পর্দায় রামায়ণ ফিরে আসছে, তখন তিন দশক আগের স্মৃতি ফিরে এল সজল মুখার্জির লেখায়।
খবরের কাগজ ছাড়া সকাল হয়! অথচ, ঘরে ঘরে কাগজ বিলি বন্ধ! যেন যত ভাইরাস, এই কাগজেই লেগে আছে! সাত সকালে কাগজ যে কতবড় অক্সিজেন, তা কাগজের ডিস্ট্রিবিউটররাও বোঝেন না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।
অনেকেই হয়ত ট্যুর অপারেটর হতে চান। পর্যটন ব্যবসায় নামতে চান। ভাল–মন্দ দুটো দিকই জেনে রাখা দরকার। একটা ছবি দেখতে পারেন, ধারণাটা কিছুটা পরিষ্কার হবে।
এমন বর্ণময় মানুষ। তাঁর মৃত্যুতে এমন ম্যাড়মেড়ে কভারেজ! দু পাতা বা তিন পাতা বরাদ্দ ছিল ঠিকই। কিন্তু বুদ্ধি, পরিশ্রম বা হৃদয়ের ছোঁয়া নেই। দেড় মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যুও দুপুরে। প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সময় দিয়েছিলেন পিকে। কিন্তু বাংলা মিডিয়া পাসমার্কটুকুও তুলতে পারল না।
ভেবেছিলাম, মাধ্যমিকের পরই স্বাধীন হব। তিন মাস চুটিয়ে উপভোগ করব। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হতেই ঘোর গ্রীষ্ম। মাঠ ফাঁকা। পুকুর বা নদীতে জল নেই যে সাঁতার কাটব। কোথাও যাওয়াও হল না। মন দিলাম গোয়েন্দা কাহিনীতে। বেশিরভাগ গোয়েন্দার সঙ্গে তখনই পরিচয়। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।
বড্ড দেরি করে ফেলেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুরকে সারা ভারতে ছড়িয়ে দেওয়া গেল না। তখন যদি গুলজার বা জাভেদ আখতারদের দিয়ে অনুবাদ করিয়ে লতা মঙ্গেশকার বা কিশোর কুমারকে দিয়ে গাওয়ানো যেত! হয়ত অন্য ইতিহাস লেখা হত। সারা ভারত রবীন্দ্র গানের ঝর্নাধারায় স্নান করতে পারত। আজ আর উপায় নেই। কারণ, আজ আর কোনও কিশোর কুমার নেই।
ডুয়ার্স মানে ঘন জঙ্গল। আর কিছু জীবজন্তু। কিন্তু তার মাঝে যে এমন গা ছমছমে নদী আছে, কে জানত! এ তো উত্তরের অ্যামাজন। অন্য এক ডুয়ার্সের অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন স্বরূপ গোস্বামী।
ক্ষিতি গোস্বামীকে গালমন্দ করাটা প্রায় দুই দশকের পুরনো একটা বিপ্লবী ফ্যাশন। ফেসবুক আসার পর তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মৃত্যুর পরেও বিরাম নেই। যেন বিপ্লবের পথা আর কোনও বাধা রইল না। তৃণমূল নয়, বিজেপি নয়, তিনিই যেন বামেদের বড় শত্রু। তাঁর মেয়ে এবার তৃণমূলে। এমন সময়ে কি বিপ্লবীরা নীরব থাকতে পারেন! এই সুযোগে না হয় আরও একপ্রস্থ গালাগাল হয়ে যাক। এভাবেই যদি বিপ্লব আসে! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
থাকার জন্য বেস্ট OTDC পান্থনিবাস। অনলাইনে বুক করে নিরিবিলিতে সপরিবারে দুটো দিন থেকে কাটিয়ে আসার জন্য একেবারে আদর্শ। পান্থনিবাস থেকেও অর্ধদিবস সাইটসিং এর জন্য অটো ভাড়া করে দেয়। এখান থেকে বোটে করে ঘুরে নিন পাখিদের সম্রাজ্য নলবন আইল্যান্ড ও অসাধারন কালিজাই টেম্পল।