সিপিএম না সিপিআই, এসব ভাবার এখন সময় নয়। সব সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে কানহাইয়া কুমারকে গোটা দেশের বাম ও তরুণ সমাজের মুখ হিসেবে দেখা হোক। রাজ্যসভায় তাঁকে এই রাজ্য থেকে পাঠানো হোক। জোরালো দাবি তুললেন বাম বিধায়ক আলি ইমরান (ভিক্টর)।
স্মৃতি ফ্যাকাসে হতে হতে একসময় কাছের মানুষদেরই অচেনা মনে হয়। ‘সব পাখি ঘরে আসে’ বলেও পরের লাইনগুলো কিছুতেই আর মনে আসে না। এমন চরিত্রে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে গেলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সবমিলিয়ে শ্রাবণের ধারা যেন অনেককিছুই ঝরিয়ে গেল। এ যেন ভেতরঘরে বৃষ্টি। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।।
রাজ্য নেতৃ্ত্বকে তিনি বলে গেলেন, সংগঠনে মন দিন। কখন সিবিআই তদন্ত করবে, সেদিকে তাকিয়ে থাকবেন না। যাক, সার সত্যিটা অন্তত বলে গলেন। সিবিআইয়ের ওপর যে সত্যিই ভরসা করা যায় না, এটুকু অন্তত বুঝিয়ে দিলেন। লিখেছেন হেমন্ত রায়।
শুধু সময় বেশি লাগবে বলেই কি রাজ্য সরকার ইভিএম এড়াতে চায়? নাকি খরচ বেশি বলে ? নাকি ইভিএম হ্যাকিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে? এই তিনটি কারণ হয়ত দেখানো হবে। কিন্তু কোনওটাই সত্যি নয়। অন্তত আসলউদ্দেশ্যের সঙ্গে এই তিনটি কারণের কোনও মিল নেই। প্রথম কথা, পরিচ্ছন্ন ভোট করানোর সদিচ্ছাই নেই।লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।