যাঁরা সংবিধান ভাঙছেন, তাঁদের কান মুলে সংবিধান বোঝানো হোক

সেই জুতা আবিষ্কারের কথাতেই আসি। ঘটা করে সংবিধান দিবস পালন করাটা নিতান্তই প্রহসন মনে হচ্ছে। যাঁরা সংবিধান রক্ষার নামে রোজ সংবিধান ভেঙে চলেছেন, তাঁদের বরং বোঝানো হোক, সংবিধানে কী করা যায় আর কী করা যায় না। তাঁরা বুঝলেই যথেষ্ট। সারা দেশকে বোঝানোর কোনও দরকার নেই। লিখেছেন আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌।

তোকে আমরা কী দিইনি, শক্তি?

আজ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তাঁর লেখা অনেক কবিতা ঘোরাঘুরি করবে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এখানে তাঁকে নিয়ে লেখা একটি কবিতা। কবির প্রয়াণের পর এই কবিতা লিখেছিলেন পূর্ণেন্দু পত্রী। বাংলায় লেখা অন্যতম...

একাকীত্ব আর অনুভবের ছবি কেদারা

হলে হাতে গোনা কয়েকজন দর্শক। কী আর করা যাবে! ভাল কাজের কদর করার লোক সবসময়ই একটু কম। আশা করা যায়, পরিচালক হতাশ হবেন না। চিত্রনাট্যকার শ্রীজাতও অনেক সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়ে গেলেন।লিখেছেন ইন্দ্রনীল দত্ত।

বেঙ্গল টাইমস। বিশেষ পাহাড় সংখ্যা

বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–ম্যাগাজিন। জমজমাট পাহাড় সংখ্যা। বাংলার নানা পাহাড়ের কথা যেমন আছে, তেমনই আছে ভিনরাজ্যের পাহাড়ও। সেইসঙ্গে বাড়তি পাওনা পড়শি দেশ ভুটান। ডাউনলোড করে দ্রুত পড়ে ফেলা যায়।

গোলাপি টেস্টের আবহে এক গোলাপি শহরের ইতিকথা

শহরজুড়ে গোলাপি টেস্টের আবহ। কলকাতা সেজে উঠেছে গোলাপি আলোয়। এই বাংলাতেই একটা শহর গোলাপি শহর হয়ে ওঠার পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল। সেই শহরের ইতিকথা। লিখেছেন কুন্তল আচার্য।।

ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া

দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত। সামনেই আসছে বড়দিনের ছুটি। হাতে আর তেমন লম্বা ছুটি নেই। চিন্তা করবেন না। হাতের কাছেই রয়েছে অসংখ্য জায়গা। দু তিন দিন ঘুরে আসুন। মন ভাল হয়ে...

অপরূপা হেনরিজ আইল্যান্ড

তিনদিক ম্যানগ্রোভ দিয়ে ঘেরা। ঠিক যেন আইল্যান্ড। লক্ষ লক্ষ লাল কাঁকড়া ঘুরে বেড়াচ্ছে বিচ জুড়ে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখে নেওয়া যায় সুন্দরবনের শোভা।
দুর্দান্ত লোকেশন, ভিড় আর কংক্রিটায়নের হাত ধরে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এখনও যাওয়া যায়। দিঘার হাল হতে আর বছর খানেক। তাই তার আগেই বেড়িয়ে আসুন হেনরিজ আইল্যান্ড।

অযোধ্যার রায়ে এনআরসি আতঙ্ক ভ্যানিস

এন আর সি বলে আর কিছুই থাকবে না। ডিটেনশন ক্যাম্পও ভেঙে ফেলাই যায়। অন্তত অযোধ্যার রায়ের রেশ ধরে আর কাউকেই অনুপ্রবেশকারী বলা যাবে না। বুঝিয়ে দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

এমন রায় তো প্রত্যাশিতই ছিল

হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায় কেই বঞ্চিত না করে,একটা সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হল সুপ্রিম কোর্টের তরফে। বিশেষতঃ বিগত কয়েক বছর ধরে সারা দেশে যখন ধর্মের নামে হিংসা ও সংঘাত প্রায় সর্বত্রই চলছে তখন এইভাবে “সমাধান” দেওয়া প্রত্যাশিতই ছিল। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

এখনও হাতছানি দিয়ে ডাকছে শিমূলতলা

বাঙালি আগে মাঝে মাঝেই হাওয়া বদলে যেত। আর এই হাওয়া বদলেরই একটি ঠিকানা ছিল শিমূলতলা। সময় বদলেছে। হয়ত রুচিও বদলেছে। কিন্তু কেমন আছে শিমূলতলা ? সেখান থেকে ফিরে এসে লিখলেন শান্তনু ব্যানার্জি।