তারকা সাংবাদিক হয়ত ছিলেন না। দারুণ লিখতেন, এমনও নয়। কিন্তু শুভা দত্ত জানতেন, তাঁর পাঠক কারা, তাঁরা কী চান। জোর করে আঁতেল বা বুদ্ধিজীবী সাজার চেষ্টা করেননি। অনেক তারকা আছেন, যাঁরা নিজের পাঠককেই চেনেন না। লিখেছেন সুব্রত সান্যাল।
বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই ম্যাগাজিন। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলা, সিনেনা, ভ্রমণ, স্পেশাল ফিচার। সব মিলিয়ে এই ই ম্যাগাজিন। ডাউনলোড করে সহজেই পড়ে ফেলতে পারেন।
নন্দ ঘোষ। সবকিছুকেই তিনি দেখেন বাঁকা চোখে। বেঙ্গল টাইমসের পাঠকেরা নন্দ ঘোষের কড়চার সঙ্গে বেশ পরিচিত। এবার তাঁর ইচ্ছে হয়েছে ফিল্ম নিয়ে কিছু লিখবেন। পুজো পেরোতেই তিনি গুমনামি দেখে ফেললেন। রিভিউ লিখলেন বেঙ্গল টাইমসে।
এখনও সময় আছে। আইন যথার্থই আইনের পথে চলুক। কারা সন্ময়বাবুকে হেনস্থা করলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হোক। কার নির্দেশে এইসব বানানো এফআইআর, খুঁজে বের করা হোক। এবং যদি সৎসাহস থাকে, সেই পালের গোদাকে গ্রেপ্তার করা হোক। নইলে, বুঝতে হবে, মুখ্যমন্ত্রী সত্যিই বড় অসহায়। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
যিনি একসঙ্গে দেবাশিস দত্ত ও গৌতম ভট্টাচার্যকে সামলেছেন, যিনি শরদ পাওয়ার ও ডালমিয়াকে একসঙ্গে সামলেছেন, যিনি কুম্বলে ও হরভজনকে সামলেছেন, শচীন ও রাহুলকে সামলেছেন, তিনি মমতা আর অমিত শাহকেও দিব্যি সামলাতে পারবেন।
কত তারিখ নিঃশব্দে পেরিয়ে যায়। আমরা জানতেও পারি না। হঠাৎই চোখ আঁটকে গেল সোশাল সাইটের একটি পোস্টে। দিনটা শৈল চক্রবর্তীর মৃত্যুদিন। এই প্রজন্মের কাছে নামটা হয়ত তেমন পরিচিত নয়। এমনকী যাঁরা মাঝবয়সী, তাঁদের কাছেও অচেনা ঠেকতে পারে। কিন্তু যাঁরা সাহিত্য, সংস্কৃতির খোঁজখবর রাখেন, তাঁদের কাছে একজন প্রণম্য মানুষ এই শৈল চক্রবর্তী।
২০২১ তো অনেক দেরি। সৌরভ বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন কিনা বা প্রার্থী হবেন কিনা, সেই সম্ভাবনাও আপাতত অনেক দূরে। ধরেই নিলাম, অমিত শাহ তাঁকে কোনও ‘কুপ্রস্তাব’ প্রস্তাব দেননি। ধরেই নিলাম, বোর্ড সভাপতি হতে গিয়ে সৌরভকে কোনও মুচলেকাই দিতে হয়নি। কিন্তু মমতাকে সেকথা বিশ্বাস করাতে পারবেন? সুতরাং, নিজের রাজ্যে তাঁর ব্রাত্য হওয়ার পর্ব শুরু। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
কার প্রদর্শনী, সেটাই বোঝা গেল না। গোটা কাণ্ডজুড়ে একজনকেই তুষ্ট করার চেষ্টা। একজনই মধ্যমণি হয়ে বসে রইলেন। সমস্ত ঠাকুর এসে যেন তাঁর সামনেই নতজানু হল। বিভিন্ন প্যান্ডেলের প্রতিমা যেন লাইন দিয়ে তাঁকে দর্শন দিতে এসেছে। একেকটি পুজো কমিটির তিন মিনিটের ছোট্ট অনুষ্ঠান। সেটাও সেই তাঁর সামনে এসেই।
চীনের ভাল, চীনের মন্দ। কোনওটাই তাঁর নজর এড়ায়নি। তথ্য, যুক্তি হেঁটেছে হাত ধরাধরি করে। একপেশে মনোভাব নিয়ে নয়, বিশ্লেষণ করেছেন খোলা মনে। অসুস্থ শরীর নিয়েও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। অন্ধকার বইবাজারেও দেখালেন আলোর দিশা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।
পুরস্কার মাঝে মাঝেই ঠিকানা ভুল করে। ভুল লোকের হাতে পৌঁছে যায়। যুদ্ধবাজের হাতেও চলে যায় শান্তির নোবেল। এবার অন্তত পুরস্কার তার ঠিকানা খুঁজে নিতে ভুল করেনি। শান্তিতে নোবেল প্রাপক আবি আহমেদ আলিকে নিয়ে লিখলেন ড. অরিন্দম অধিকারী।