বেঙ্গল টাইমসের পরবর্তী ই–ম্যাগাজিন প্রকাশিত হবে ১৬ অক্টোবর। এবার কোনও বিশেষ সংখ্যা নয়। এবারের সংখ্যায় বিশেষ কোনও বিষয়ের ওপর ফোকাসও নয়। সাম্প্রতিক নানা বিষয় উঠে আসবে। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলাধুলা, সিনেমা, ভ্রমণ, রম্যরচনা, স্পেশাল ফিচার। সব রকমের লেখাই মিলেমিশে থাকবে।
রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীদের ব্যপারটা বুঝি। সত্যি বলছি আপনাদের বিষয়টা বুঝি না। বিশ্বাস করতে মন চায় না যে আপনারাও আজ স্বাধীনভাবে ভাবতে লিখতে অক্ষম। হতাশ লাগে খুব… আপনাদের মতো মানুষদের ওপর এখনও ভরসা রাখি। লিখেছেন বাদশা মৈত্র।
হাতে কয়েক ঘণ্টা সময়। উঠে পড়ুন একটা এসি বাসে। চলে আসুন বিমান বন্দরে। কোনও কাজ ছাড়াই। কত দৃশ্য অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা লিখলেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।
হয়ত কলেজ স্ট্রিটে গিয়েছেন। কিন্তু কখনও প্যারামাউন্টে ঢোকেননি। অনেককিছু থেকেই আপনি তাহলে বঞ্চিত। ইতিহাসের গন্ধমাখা ওই সরবতের দোকানে একবার ঘুরে আসুন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন।
আর এই ডাক্তাগুলোও হয়েছে সেই রকম। তা বলি, হ্যাঁ বাছা। এত সেজেগুজে এসে ফ্রি তে যে এত টিপস দিয়ে যাচ্ছো, তার সাইড এফেক্টটা বুঝলে না! হঠাৎ করে মানুষ যদি এত স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে ওঠে, তোমাদের কাছে তো কেউ যাবে না। তোমার অমন সুন্দর সাজানো চেম্বারে বসে মাছি তাড়াতে তোমার ভাল লাগবে? অবাক পৃথিবী।
যাওয়ার কথাই ছিল না। তাই আগাম হোটেল বুকিংয়েরও কোনও ব্যাপার ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই হানা সিটংয়ে। আলতো শীতের রোদ গায়ে মেখে কমলালেবুর গ্রামে। ইচ্ছেমতো কমলালেবু পেড়ে নেওয়া। সঙ্গে সুন্দর সেই পাহাড়ি গ্রামে ঘুরে বেড়ানো। আর হোম স্টের আতিথেয়তা তো আছেই। সেই পাহাড়ি গ্রামের কথা উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
অপর্ণা সেন বললেই মনে হয় সুন্দরী এক নায়িকা। কিন্তু পরিচালক অপর্ণা ? সেইদিকেই আলো ফেলা হল এই প্রতিবেদনে। বিশেষভাবে উঠে এল পরমা-র কথা। যা সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে থাকা ছবি। এই সুরই উঠে এল স্নেহা বিশ্বাসের লেখায়।
পাঠকদের কাছে অনুরোধ, লেখা পাঠিয়ে দ্রুত ছাপার জন্য তদ্বির করবেন না। মনোনীত হলে ই মেল মারফত জানিয়ে দেওয়া হবে। কোনও কোনও লেখা বিশেষ সংখ্যার জন্য তুলে রাখা হবে। বেঙ্গল টাইমসে পাঠানো লেখা অন্তত তিনমাস অন্য কোথাও না পাঠালেই ভাল। তিন মাস পরেও প্রকাশিত না হলে সচ্ছন্দে অন্য কোথাও পাঠাতে পারেন।
পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, অহেতুক রাত জাগছে, নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে, কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না? লিখেছেন নিবেদিতা পাল।।
কে কত স্তাবকতা করতে পারে, তার এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা চলে। এই আবহে তাঁর কণ্ঠস্বর বেশ স্বতন্ত্র। শিক্ষার ছাপ আছে। যুক্তির ছাপ আছে। মার্জিত রুচির ছাপ আছে। আর বলিষ্ট প্রতিবাদ তো আছেই। যুক্তি ও শালীনতা মেনেও সমালোচনা কত প্রখর হতে পারে, প্রতিদিন তার ছাপ রেখে চলেছেন। সেই সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর পুলিশি হেনস্থার পরেও বঙ্গীয় মিডিয়াকূল নীরব থাকবে! প্রশ্ন তুললেন স্বরূপ গোস্বামী।