স্তাবকতার এক অদ্ভুত কোরাস চারিদিকে। আসল সমস্যা থেকে মুখ ফিরিয়ে তাই অন্যদিকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা। পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনলেও আসল সমস্যাগুলো থেকেই যাবে। কলেজের সিটগুলোও তাই ফাঁকাই পড়ে থাকবে। মাঝখান থেকে গিনিপিগ করা হল লক্ষ লক্ষ ছাত্রকে।
পুজো থেকেই পর্যটন মরশুম শুরু হয়। ঝাঁজে ঝাঁকে পর্যটক এই সময়ে পাহাড়ে যান। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি অসংখ্য ছোটখাটো পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। অনেকে মহালয়া থেকেই পৌঁছে গেছেন। কেউ যাবেন ষষ্ঠী, সপ্তমীতে। এই অবস্থায় পাহাড় বন্ধ পর্যটনে নেতিবাচক প্রভাব ডেকে আনতে পারে।
সরাসরি প্রত্যাখ্যান না হলেও ঘুরপথে প্রত্যাখ্যান চলছেই। কুড়ি মিনিট–পঁচিশ মিনিট অপেক্ষার পরেও গাড়ির দেখা নেই। একসময় হঠাৎ মেসেজ ঢুকে গেল, রাইড ক্যানসেল। অর্থাৎ, আবার নতুন করে অন্য গাড়ি বুকিং করুন।
আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত উঠে এল বিশেষ প্রতিবেদনে।
পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।