বিতর্কসভায় কবিতা পাঠ! অন্য মাত্রা আনলেন শ্রীজাত
আরও একটা বার্তা তুলে ধরলেন। সেটা হল সংযম। নিজের কথা না বলেও নিজের মনোভাব তুলে ধরা যায়। এই সংযমটা কজনের আছে! শ্রীজাতের এই সংযম যেন অনুষ্ঠানকে নুতন এক মাত্রা এনে দিল।
আরও একটা বার্তা তুলে ধরলেন। সেটা হল সংযম। নিজের কথা না বলেও নিজের মনোভাব তুলে ধরা যায়। এই সংযমটা কজনের আছে! শ্রীজাতের এই সংযম যেন অনুষ্ঠানকে নুতন এক মাত্রা এনে দিল।
উপর মহলের নির্দেশ ছাড়া পুরুলিয়ার পুলিশ খড়দা চলে এল, এটা বিশ্বাস করতে হবে? তাহলে কারা নির্দেশ দিলেন? সন্ময়বাবুর ভিডিও গুলো দেখুন, তাহলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।
খুব পরিচিত জায়গা নয়। তবে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই ঠিকানা লেপচাজগত। পাইন বনে মেঘের আনাগোনা। আকাশ একটু পরিষ্কার থাকলেও ডানা মেলবে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেখান থেকে ফিরে এসে দু–চার কথা। ভাগ করে নিলেন সন্দীপ লায়েক।
কবে থেকে চালু হতে পারে দিন রাতের টেস্ট ম্যাচ? যদি নভেম্বরে ইডেন টেস্ট থেকেই চালু হয়, অবাক হওয়ার কিছু নেই। সেক্ষেত্রে আরও একটা ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে ইডেনের নাম। এবং অবশ্যই সৌরভের নাম।
দশ মাসে অনেক পরিকল্পনা হতে পারে। কিন্তু তার রূপায়ণের জন্য দশ মাস সময়টা বড্ড কম। তাই সৌরভের জন্য নিয়ম বদল হোক। দশ মাস নয়, তাঁকে দশ বছরের জন্য ভাবা হোক। লিখেছেন উত্তম জানা।
পুরো অনুষ্ঠানটা যেন একজনকে প্রোমোট করার জন্যই হয়েছে। মূর্তিগুলো এসে থেমে যাচ্ছে তাঁর কাছে। সমস্ত শোভাযাত্রা যেন শুধু তাঁকে দেখানোর জন্যই। বাকি সবাইকেই বড্ড বেশি গৌন মনে হয়েছে। রাজ্যপালকে ডেকে এনে এভাবে হেনস্থা না করলেই পারতেন। এই ব্যাপারে রাজ্যপালের ক্ষোভ যথেষ্টই সঙ্গত।
দীপাবলি এলেই বেজে ওঠে তাঁর গান। আবার যেন জীবন্ত হয়ে ওঠেন পান্নালাল ভট্টাচার্য। কেন শ্যামাসঙ্গীতকেই বেছে নিলেন? কোন অবসাদে নিজেকে নিয়ে গেলেন আত্মহননের পথে? তাঁর জীবনের নানা দিক নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের ফিচার।লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।
আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।
বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে? তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘এগিয়ে বাংলা’র ছবিটা আসলে কেমন।
পুরুলিয়ার জয়চণ্ডী পাহাড়ই হল হীরক রাজার দেশ। মানে সেখানেই সিনেমাটার আউটডোর শুটিং হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে দুটি মোক্ষম শিক্ষার কথা লিখলেন ময়ূখ নস্কর।