চট করে চটকপুরে

এত কান্ড করেও কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার নিশ্চয়তা নেই। ফিরে আসা, সে আরেক ঝামেলা। এসব যদি এড়াতে চান, চলে আসুন চটকপুরে। টাইগার হিল থেকে যেমন সূর্যোদয় বা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখবেন, এখান থেকেও তেমনই দেখবেন। তবে ওই ভিড়, ট্রাফিক জ্যামের চক্করে পড়তে হবে না। একেবারে নিরিবিলিতে একটা সুন্দর সকাল আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

এই অর্বাচীনরা সাংসদ শব্দের কলঙ্ক

একজন সাংসদের কী কাজ, অধিকাংশ সাংসদই সেটা জানেন না। তাই বছরে পাঁচ কোটি কাজের ফিরিস্তি দেন। একজন অঞ্চল প্রধান তার থেকে বেশি টাকার কাজের ফিরিস্তি দিতে পারেন। আসলে, এই এমপি–‌রা নিজেদের অঞ্চল প্রধানের স্তরেই নামিয়ে এনেছেন। বছরে পাঁচ কোটির বাইরেও যে একটা বিরাট জগৎ আছে, সেটা এই অর্বাচীনদের কে বোঝাবে!‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

‌মমতার ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ প্রচারে বিভ্রান্ত কংগ্রেস ও সিপিএম

সিপিএমের এখন কোনও থিঙ্কট্যাঙ্ক নেই এ রাজ্যে। সিপিএমের অনিল বিশ্বাসের প্রয়াণের পর একরকম বিধ্বস্ত ও অবিন্যস্ত হয়ে গেছে এ রাজ্যে। তারা দলের কেন্দ্রীয় কমিটিকেও দিনের পর দিন উপেক্ষাই করে চলেছে। এর ফল হাতেনাতে পেতে চলেছে সিপিএম। এই ভুল নীতির জন্য হয়তো সিপিএম এ রাজ্যে একটিও আসন না–ও পেতে পারে। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।

পাহাড়ের অচেনা ঠিকানা, তিনচুলে

দূরে কোথাও নয়। ভিনরাজ্যেও নয়। এই বাংলাতেই। নিশ্চয় দার্জিলিং! না, ঠিক তাও নয়। তবে খুব কাছাকাছি। আর ভনিতা না করে নামটা বলেই দেওয়া যাক- তিনচুলে। নামটা চেনা চেনা লাগছে ? যাঁরা বেড়ানোর ব্যাপারে খুব খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা হয়ত নাম শুনেছেন। যাঁরা শোনেনননি, তাঁদের হীনমন্যতায় ভোগার কিছু নেই। কারণ, বাংলার পর্যটন মানচিত্রে তিনচুলে তেমন বিখ্যাত নাম নয়।

তালকে তিল দেখানোর সাহসও নেই বঙ্গজ মিডিয়ার

ভাইপোর বাণী অমৃতসমান। তিনি ঘটা করে প্রেস কনফারেন্স করেছেন, না লিখলে মুশকিল। অতএব লেখা হল, টিভিতে লাইভও হল। কিন্তু আগের নিরুত্তরতা। থরহরি কম্পমান রাজ্যে সেই নীরবতাই স্বাভাবিক। সেই নীরবতাও যে বুঝিয়ে দেয়, আসলে অনেককিছুই ঘটেছে। অন্য সময়ে তিল থেকে তাল হয়। আর এক্ষেত্রে, তালকে তিল করার ন্যূনতম সাহসটুকুও নেই।

ঝটিকা সফরে ভুটান

নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে এলাম। সে কী আনন্দ! কী অদ্ভুত একটা রোমাঞ্চ সাতসকালে তাড়া করছে। সীমান্তের দুই পারে যেন দু’‌রকম ছবি। একদিকে জয়গাঁ এক ঘিঞ্জি শহর। অন্যদিকে ফুন্টশেলিং যেন ঝকঝকে–তকতকে। নিজের দেশের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, পরিচ্ছন্নতার নিরিখে ‘স্বচ্ছ ভারত’ যেন দশ গোল খাবে পুঁচকে ভুটানের কাছে।

সংসদ মিমি–‌নুসরতদের নয়, মহুয়া মৈত্রদেরই জায়গা

এবারের প্রার্থী তালিকায় সেরা চমক কে?‌ মিমি–‌নুসরত নন। এমনকী সুব্রত মুখার্জি বা মানস ভুঁইয়াও নন। এবারের সেরা বাজি হতে চলেছেন মহুয়া মৈত্র। দেরিতে হলেও সঠিক লোককে সঠিক জায়গায় পাঠানোর উদ্যোগ নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সংসদটা মিমি–‌নুসরতদের নয়, মহুয়া মৈত্রদেরই জায়গা। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

বাম–‌কং জোট না হওয়ায় ক্ষতি হল বিজেপির

অনেকে বলতে শুরু করেছেন, বাম–‌কংগ্রেস জোট না হওয়ায় বিজেপির খুব লাভ হল। শহুরে চোখের বিশ্লেষণে এমনটাই হয়। আসলে, এঁরা ভোটের অঙ্কটাই বোঝেন না। গ্রামীণ বাস্তবতাও বোঝেন না। জোট না হওয়ায়, সবথেকে যার ক্ষতি হল, সে হল বিজেপি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণ

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।

‌কংগ্রেসের সৌজন্য ও কিছু নির্মম পরিসংখ্যান

কংগ্রেস নাকি পাঁচটি কেন্দ্র ছেড়ে দিয়ে দারুণ সৌজন্য দেখালো। এই পাঁচ কেন্দ্র মিলিয়ে কংগ্রেসের ভোট ২ লাখ ১১ হাজারের মতো। সেখানে বামেদের ভোট ২১ লাখ ৯ হাজারের বেশি। অর্থাৎ, কংগ্রেসের যা ভোট, বামেদের ভোট তার দশ গুনেরও বেশি।