দীপা বরং ভাবুন, কেন তাঁকে পরপর দুবার রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হল না। দীপা বরং ভাবুন, এবারও রাজ্যসভায় কেন তাঁকে প্রার্থী করা হবে না। সহজ কথা, কংগ্রেস তাঁকেই প্রার্থী করবে, যাঁকে মমতা চাইবেন। রাজ্য কংগ্রেসের কিছুই করার নেই। লাটাই যে দিল্লির হাতে। আর তাঁরা মমতাকে চটাতে চান না। সিপিএম–কে গালাগাল দেওয়ার আগে এই সহজ সত্যিটা দীপা যদি বুঝতেন!
জোট হলে কী হত? জোট না হলেই বা কী হবে? কার লাভ হবে? তৃণমূলের আসন কি কমতে পারে? এই ভোটের ফল সামনের বিধানসভা ভোটে কতখানি প্রভাব ফেলবে? ওপেন ফোরামে বিশ্লেষণ সুগত রায়মজুমদারের।
উজানের টানে। একটি স্বপ্নের নাম। বিদেশি অনুদান তো দূরের কথা। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারেরও কোনও অনুদান নেই। কোনও কর্পোরেট সংস্থা বা বড় ব্যবসায়ীরাও নেই। কোনও মিডিয়া হাউসও নেই। আসলে, অন্যদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর একটা সৎ প্রচেষ্টা। উজানের টানে–র অভিযান নিয়ে টুকরো টুকরো অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন সংহিতা বারুই।
জোট ভেস্তে যাওয়ায় নানা মহলে নানা হাহুতাশ। কেউ কেউ ভাবছেন, বামেদের ফল বোধ হয় আরও খারাপ হবে। কিন্তু এই জোট না হওয়া শাপে বরও হতে পারে। এখন শুধু দরকার নিজেদের শক্তিতে আস্থা রাখা। এমন কিছু ফল হয়ত বেরিয়ে আসতে পারে, যা কেউ ভাবতেও পারছেন না। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কেন্দ্রীয় বাহিনী আসায় রাজ্যের নাকি দুর্নাম হয়ে যাবে। এই রাজ্যে নাকি দারুণ শান্তিতে ভোট হয়! হায় রে! অতি বড় পাগল নয় অতিবড় মিথ্যুক, নয় অতিবড় চাটুকার ছাড়া কেউ এমন দাবি করতে পারে! রাজ্যের সুনামের কথা পঞ্চায়েতের সময় মনে ছিল না! কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি বাড়াবাড়ি করেই থাকে, তবে রাজ্য সরকারই এই পরিণতি ডেকে এনেছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
একবার যখন আলুর দমে পা পিছলেছে, তখন উঠে দাঁড়ানো এত সহজ নয়। আজ না হোক কাল, পদ্মের কাঁটা বা তৃণমূলের ঝাঁটা তাঁর জন্য অপেক্ষা করে আছে। অবাক হব না যদি কয়েকদিন পরেই বিজেপির প্রার্থীতালিকায় হঠাৎ করে তাঁর নাম দেখি। একদিকে তৃণমূলের মেয়র, অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী। ব্যাপারটা দারুণ জমবে কিন্তু। এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। নানা অপকর্ম এভাবেই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে। লিখেছেন ধীমান সাহা।
১৩ বছর পর। সেই ডেভিডই কিনা অধীরের বিরুদ্ধে প্রার্থী। সেবার তাঁর জন্য অধীর চরম ঝুঁকি নিয়েছিলেন। আর আজ অধীরকে হারাতে ডেভিড যে ঝুঁকি নিলেন, সেটাও কম নয়।লিখেছেন ধীমান সাহা।
কেন পদত্যাগ করলেন? আসলে, বাধ্য হলেন। বিধানসভার সদস্যপদ হয়ত এত সহজে যেত না। কারণ, স্পিকার মশাই যথারীতি নানা টালবাহানা দেখিয়ে তাঁদের রক্ষা করে যেতেন। সময় দিয়ে যেতেন। তাঁরাও নানা অজুহাতে সেই শুনানি এড়িয়ে চলতেন। এভাবেই দু বছর কেটে যেত। সোজা কথা, হয়ত লোকসভার প্রার্থীপদ খারিজ হয়ে যেত। সেই কারণেই এই পদত্যাগ। তাই, এই পদত্যাগের সঙ্গে নৈতিকতার কোনও সম্পর্কই নেই। নিতান্ত বাধ্য হয়েই এই পদত্যাগ।লিখেছেন উত্তম জানা।
কেন দল ছাড়লেন অর্জুন? সহজ কথাটা সহজে বলতেই পারতেন। বলতেই পারতেন, তৃণমূল আমার প্রতি অবিচার করেছে, বিজেপিতে এসে জবাব দিলাম। তার বদলে তিনি কিনা টেনে আনলেন দেশপ্রেমের বাণী। তৃণমূল যদি টিকিট দিত, তাহলে তো তৃণমূলের সুরেই কথা বলতেন। সভায় সভায় মোদিকে গাল পাড়তেন। টিকিট না পেয়ে দুম করে দেশপ্রেমী হয়ে গেলেন! লিখেছেন নির্মল দত্ত।
শীত বিদায় নিয়েছে আগেই। ‘বসন্ত এসে গেছে’ বলে যতই আদিখ্যেতা করুন, এ আসলে গরমেরই ট্রেলার চলছে। এই সময় যদি সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি জনপদ থেকে ঘুরে আসা যায়! আপনার আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠতে পারে রাবাংলা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।