মেয়র নির্বাচন সংক্রান্ত আইন বৈধ না অবৈধ, সেই মামলা চলুক। দ্রুত রায়ের আশাও নেই। কিন্তু মেয়র নির্বাচন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরে মামলা করলে সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল হয়ে যেত। রাজ্যপালের সইয়ের পাঁচদিন আগে পুরসভা বিজ্ঞপ্তি জারি করল কীভাবে? তাহলে তো রাজ্যপালের সইয়ের কোনও মূল্যই রইল না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
হেরিটেজের নামে নিউটাউনে ট্রাম চালানোর ভাবনা। ব্যস্ত রাস্তায় অহেতুক ট্রাম লাইন পেতে শহরের গতি কমিয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত? ট্রাম লাইন যদি পাততেই হয়, ইকো পার্কে পাতা যেতে পারে। ব্যস্ত রাস্তাকে ট্রাম মানচিত্রের বাইরেই রাখা হোক। ওপেন ফোরামে লিখলেন উত্তম জানা।
আরও একটি কাগজ বন্ধের মুখে। এবার সেই সারিতে আনন্দবাজার গোষ্ঠীর এবেলা। নতুন বছরে আর দেখে যাবে না এই ট্যাবলয়েডটিকে। কর্মহীন হতে চলেছেন আরও একঝাঁক সংবাদকর্মী। গত দু’বছর ধরেই যেন দেওয়াল লিখনটা স্পষ্ট হচ্ছিল। মিডিয়া সমাচার বিভাগে বিশেষ প্রতিবেদন।
এতজন জয়ী কাউন্সিলর। তাঁদের কাউকে মেয়র করা গেল না। এমনকী সুব্রত মুখার্জি বা অরূপ বিশ্বাসকেও নয়। আনতে হল সেই ফিরহাদ হাকিমকে। তিনি পুরসভার কাজে দারুণ যোগ্য, এটা কারণ হিসেবে দেখানো হলেও বিশ্বাসযোগ্য নয়। আবার সেই মেরুকরণকে উস্কে দেওয়া হচ্ছে না তো? পাল্টা অক্সিজেন তো সেই বিজেপিই পেল। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।