বরফে ঢাকল সান্দাকফু
সুইৎজারল্যান্ডে যেতে হবে না। এমনকী পার্শ্ববর্তী রাজ্য সিকিমেও যেতে হবে না। এই রাজ্যের সান্দাকফুই ঢেকে গেল বরফের চাদরে। সেই ছবি নিমেশে ভাইরালও হয়ে গেল।
সুইৎজারল্যান্ডে যেতে হবে না। এমনকী পার্শ্ববর্তী রাজ্য সিকিমেও যেতে হবে না। এই রাজ্যের সান্দাকফুই ঢেকে গেল বরফের চাদরে। সেই ছবি নিমেশে ভাইরালও হয়ে গেল।
পাঁচ রাজ্যে বিপর্যয়ের পর এমনিতেই কিছুটা কোনঠাসা বিজেপি। রথযাত্রা করলেও তা নিয়ে বিশেষ উন্মাদনা হত না। দিল্লির নেতারাও আসতেন বলে মনে হয় না। এলেও বুড়ি ছোঁয়ার মতো এসেও পালিয়ে যেতেন। সেখানে সেই রথযাত্রাকে অক্সিজেন দেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। যেটা চুপচাপ হয়ে যেতে পারত, তাকে অকারণে হাইপ তৈরি করছে রাজ্য।
যত দিন যাবে, বিজেপির জনপ্রিয়তার গ্রাফটা ততই নেমে আসবে। তিন রাজ্যের এই পরাজয় অন্যান্য রাজ্যেও বিরোধীদের পালে হাওয়া তুলবে। সব ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তখন হয়ত সার্জিকাল স্ট্রাইক বা যুদ্ধকেই ঢাল বানাতে হবে। আলোচনার সুরকে ঘুরিয়ে দেওয়ার এছাড়া কোনও রাস্তা নেই। লিখেছেন ধীমান সাহা।
নতুন মুখকে তুলে আনায় বড় চমক দিল ফরওয়ার্ড ব্লক। কেন্দ্রীয় কমিটিতে আনা হল কোচবিহারের তরুণ ছাত্রনেতা সৌম্যদীপ সরকারকে। বাংলার ছাত্র রাজনীতির পরিচিত মুখ। ছাত্র ব্লকের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এবারের সম্মেলনের অন্যতম বড় ঘটনা সৌম্যদীপের এই নির্বাচন।
তিন বড় রাজ্যেই ক্ষমতায় আসতে চলেছে কংগ্রেস। জাতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি যেমন কোণঠাসা হচ্ছে, ঠিক তেমনি এই ফল তৃণমূলের কাছেও অশনি সংকেত। কারণ, জাতীয় রাজনীতিতে তাদের গুরুত্ব অনেকটাই কমে গেল। ঠিক তেমনি এই রাজ্যেও তৃণমূলের কাছে অশনি সংকেত। বিশ্লেষণ করলেন রক্তিম মিত্র।
প্রশাসনিক সভা মানে তিনিই বলে যাবেন। যাকে খুশি ধমকাবেন, চমকাবেন। সব যেন একতরফা এক চিত্রনাট্য। কিন্তু অন্যরকম ছবি পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখানে জোড়া গোল খেয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
সম্পাদক বদল হয়েছে দৈনিক যুগশঙ্খ–তে। সেইসঙ্গে একটু একটু করে বদলে যাচ্ছে সম্পাদকীয় নীতি। গেরুয়ার গন্ধ মুছে নীল সাদা হওয়ার মুখে। রাজ্যের মিডিয়ায় বিরোধী মতের যেটুকু পরিসর ছিল, তা আরও ফিকে হয়ে এল। আরও একটি তাঁবেদার মিডিয়ার সংখ্যা বাড়ল। মিডিয়া সমাচার বিভাগে লিখেছেন রাহুল বসু।
দিল্লিতে আবার জোট বৈঠকের প্রস্তুতি। মূল প্রশ্ন, কংগ্রেসের নেতৃত্বে নাকি কংগ্রেসকে বাইরে রেখে? যদি কংগ্রেসকে বাইরে রেখে আঞ্চলিক দলের জোটের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে ভোট কাটাকাটিতে লাভ কার হবে? এই দলগুলির বিশ্বাসযোগ্যতাই বা কতটুকু? লিখেছেন শান্তনু মাইতি।
এগজিট পোলে যা দেখানো হয়েছে, তার থেকেও খারাপ অবস্থা হবে বিজেপির। বলাই যায়, হাওয়া ঘুরছে। সেই হাওয়া ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য রাজ্যেও। একদিকে বিজেপির নেতৃত্বে কিছু ছোট দল। অন্যদিকে, কংগ্রেসকে সামনে রেখে আরও কিছু আঞ্চলিক দল। আগামী কয়েক মাস এমন ছবিটাই দেখা যাবে। ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে ফেডারেল ফ্রন্ট।
বিরোধীরা যেন দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছেন তাদের প্রাসঙ্গিক করে তুলতে। যে ফাঁদটা বিজেপি পাততে চাইছে, বাকিরা বুঝে হোক, না বুঝে হোক, সেই ফাঁদে পা দিয়ে চলেছেন। এরপরেও এঁদের বিচক্ষণ বলা যায়! লিখেছেন সুকান্ত পোদ্দার।