সৌরভকেও তাহলে জার্সি কিনতে হয়!‌

সৌরভের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে বার্সিলোনার জার্সি। জার্সিতে লেখা দাদা, সঙ্গে সৌরভের প্রিয় নম্বর ৯৯। বার্সিলোনা জানল কী করে সৌরভকে দাদা বলা হয়?‌ এতই যদি গুরুত্ব দিত, তাহলে জার্সিটা তো মেসি তুলে দিতে পারতেন। কোনও এক হাফ কর্তা তুলে দিতেন না। তাহলে কি নাম লেখা জার্সিটা সৌরভই কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন?‌ এই নিয়েই নন্দ ঘোষের কড়চা।

সুমনকে গালাগাল দেওয়ার আগে ভেবে দেখুন

মমতার সফরসঙ্গী এটা সুমনের কোনও পরিচয় নয়। এটা অনেকটা ভারতের হয়ে টেস্ট খেলার পর ত্রিপুরার হয়ে রনজি খেলার মতো। সুমনকে যাঁরা আক্রমণ করে চলেছেন, তাঁদের অধিকাংশই তাঁর লেখা পড়েননি। তাই যে যা পারছেন, বলে যাচ্ছেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ইভিনিং সাফারি:‌ আরও একটি ভুলভাল পরিকল্পনা

ঘটা করে চালু হল টয়ে ট্রেনের ইভিনিং রাইড। কিন্তু কারা এই ট্রেনে উঠবেন?‌ কেনই বা উঠবেন?‌ আরও একটি ভুলভাল পরিকল্পনা। সস্তা চমক আছে, তলিয়ে দেখার মানসিকতা নেই। এই পরিকল্পনার ত্রুটিগুলি কোথায়?‌ লিখেছেন বিরাট ভদ্র।

সেফ ড্রাইভ!‌ ওই হোর্ডিং খুলে ফেলুন

একদিকে ঢালাও মদ্যপানে উৎসাহ দেওয়া। আর অন্যদিকে হোর্ডিংয়ে ছবি টাঙিয়ে বলা হচ্ছে, সেফ ড্রাইভ। এ অনেকটা চোরকে চুরি করতে বলে গৃহস্থকে সাবধান হতে বলার মতোই। অনেক হয়েছে, এবার এই ভন্ডামি বন্ধ হওয়া দরকার। যদি মদের দোকান বাড়াতেই হয়, দোহাই সেফ ড্রাইভের হোর্ডিংগুলো খুলে ফেলা হোক। লিখেছেন অজয় কুমার।।

কী হারালেন, নির্মল যদি বুঝতেন!‌

তিনি বোঝেন, কাকে কোন দায়িত্ব দিতে হয়। সবাই জানল, নির্মল মাজি মন্ত্রী হলেন। কিন্তু কেউ ভাবল না স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তাঁর ডাপলাপা কীভাবে ছেঁটে ফেলা হল। কোন দপ্তর পেলেন?‌ শ্রম দপ্তরের হাফমন্ত্রী। যে দপ্তরের তিনি তেমন কিছুই বোঝেন না। মন্ত্রী হতে গিয়ে কী হারালেন, নির্মল যদি বুঝতেন!‌ এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন রবি কর।

এই সময়ের নতুন সম্পাদক রূপায়ণ

রাজ্যে চার নতুন মন্ত্রী শপথ নিলেন। একইদিনে নিশব্দে আরও একটি পরিবর্তন। এই সময়–‌এর নতুন সম্পাদক হলেন রূপায়ণ ভট্টাচার্য। কাগজে কোনও ঘোষণা নেই। আলাদা কোনও প্রতিবেদন নেই। প্রিন্টার্স লাইনে খুব ছোট্ট হরফে সম্পাদক হিসেবে দেখা গেল তাঁর নাম।

এক কাণ্ডের পরেও নির্মল মন্ত্রী!‌

ভাবতে অবাক লাগে, এত অপকর্মের পরেও নির্মল মাজি কিনা মন্ত্রী হচ্ছেন!‌ কী জানি, হয়ত তাঁকে স্বাস্থ্য দপ্তরও দেওয়া হতে পারে। এমনিতেই তাঁর মাতব্বরিতে স্বাস্থ্যদপ্তর বেসামাল। তার ওপর মন্ত্রী হয়ে গেলে কী করবেন, কে জানে!‌ লিখেছেন অনির্বাণ বোস।

‌টয় ট্রেনে ইভিনিং সাফারি

শিলিগুড়ি জংশন থেকে রংটং। এটাই রাখা হয়েছে ইভিনিং সাফারির রুট। পরে, পর্যটকদের মধ্যে ভাল সাড়া পেলে এটিকে তিনধারিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। শিলিগুড়ি জংশন থেকে ট্রেনটি ছাড়বে দুপুর তিনটে নাগাদ। রংটংয়ে পৌঁছে কিছুক্ষণ বিরতি। তারপর সেখান থেকে যখন ট্রেনটি শিলিগুড়ির উদ্দেশে ফিরে আসবে, তখন সন্ধে নেমে যাবে।

মুখ্যমন্ত্রীর ফ্লেক্স টাঙিয়ে মন্ত্রী হয়ে গেলেন সুজিত

গত এক বছরে কয়েক হাত দূরে দূরে বাইপাসের ধারে মুখ্যমন্ত্রীর হাজার হাজার ফ্লেক্স টাঙিয়েছেন। মাঝে মাঝে ভাইপোর ছবিও টাঙিয়েছেন। সেই ছবি টাঙানোরই স্বীকৃতি পেলেন সুজিত বোস। এবার তাঁকে আনা হল মন্ত্রিসভায়। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।

নতুন চার মন্ত্রী বেছে নিলেন মমতা

আরও নতুন চার মন্ত্রী বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, মন্ত্রীসভার সম্প্রসারণ হতে চলেছে। কারা কারা মন্ত্রীসভায় আসছেন, সেইসব নাম নিয়েও আলোচনা চলছিল। নতুন চার মন্ত্রী হতে চলেছেন তাপস রায়, সুজিত বসু, নির্মল মাজি, রত্না ঘোষ।