বই পড়ার অভ্যেস ক্রমশ কমে আসছে। মানুষের সময় যেমন কমে আসছে, তেমনই ধৈর্যও কমে আসছে। বাংলা সাহিত্য কি তাহলে একটু একটু করে হারিয়ে যাবে? পরের প্রজন্ম কি বই পড়াই ছেড়ে দেবে? লাইব্রেরিগুলো কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে? প্রকাশনা সংস্থাগুলো কি ক্রমশ ধুঁকতে থাকবে? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।
তার আগে বার তিনেক দার্জিলিংয়ে গিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলছি, ক্যাভেন্টার্সের কথা তার আগে কেউ বলেনি। তাই যাওয়াও হয়নি। সেখানে কার পা পড়েনি? সত্যজিৎ রায় থেকে ঋত্বিক ঘটক। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না। এডমন্ড হিলারি থেকে তেনজিং নোরগে। এতলোক যখন গিয়েছেন, তখন নিশ্চয় দামও আকাশছোঁয়া হবে। সে এক পাঁচতারা এলাহি ব্যবস্থা হবে। ভয়মিশ্রিত একটা রোমাঞ্চ নিয়েই গিয়েছিলাম।
তিন রাজ্যে যতই কংগ্রেসের জয় আসুক, জোট নিয়ে নানা জটিলতা থেকেই যাবে। আঞ্চলিক দলগুলি কোনদিকে যাবে, কোন রাজ্যে কার সঙ্গে জোট হবে, এখনও পরিষ্কার নয়। কেউ কেউ একাই লড়বে, পরে পরিস্থিতি বুঝে অবস্থান নেবে। তাই আঞ্চলিক দলগুলি বড় ভূমিকা নিতেই পারে। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
আপনার পরিবারের শান্তি বজায় রাখতে গেলে এইসব সিরিয়াল থেকে বাড়ির মেয়েদের দূরে রাখতেই হবে। নইলে অশান্তি, কলহ থেকে মুক্তি নেই। বাংলা সিরিয়ালের মারণ-রোগ নিয়ে লিখলেন সুমিত চক্রবর্তী।
কথায় কথায় বাস্তবের সঙ্গে মিল–অমিল খোঁজার বুদ্ধিজীবীপনা ছেড়ে, শুধু নিষ্পাপ সারল্য নিয়ে সিনেমাটি দেখলে বেশ রোমাঞ্চ জাগে। শিশু, প্রকৃতি, জঙ্গল, ননিবালা এবং চোরা শিকারী মেলবন্ধন বেশ কমল্পিট প্যাকেজ। ছোটদের গল্পে একটু কল্পকাহিনীর মিশেল না থাকলে তা পূর্ণতা পায় না। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।
একদিকে মুদ্রা। অন্যদিকে মুদ্রাদোষ। বাজপেয়ীর নামাঙ্কিত মুদ্রা। কিন্তু তা প্রকাশ করতে গিয়ে সরকারি অনুষ্ঠানে কার্যত বাজপেয়ীকেই ছোট করলেন। কোথায় কোনটা বলতে হয়, কোথায় কোনটা বলতে এই, এই ন্যূনতম শিক্ষাটুকুও যদি প্রধানমন্ত্রীর না থাকে, তাহলে সত্যিই বড় মুশকিল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
হ্যাঁ, এই মানুষগুলো কিছু করতে চেয়েছিলেন। নিছক স্বপ্ন দেখানো নয়, সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে চেয়েছিলেন। সস্তা চটক নয়, নিজের ঢাক পেটানো নয়, নির্লজ্জ মিথ্যাচার নয়, চাটুকারিতা নয়। শিক্ষা, রুচি, দূরদর্শিতা, মেধা, বাগ্মীতার এক মিশ্রণ।
কে কী ভাবল, কে সমালোচনা করল, এসবে তাঁর কিছুই যায় আসে না। কেউ বলেন বেপরোয়া, কেউ বলেন নির্লজ্জ। তাঁর জীবনের অনেককিছুই আনটোল্ট। এমন অনেক ঘটনাই সামনে আনতে চলেছে শ্রীনিবাসন, তাঁর নতুন বইয়ে। বিতর্কের ঝড় উঠবে, হলফ করেই বলা যায়।
বাম–কংগ্রেস জোট হবে কিনা, তা নিয়ে নানা মহলে নানা প্রশ্ন। দুই দলের নানা স্তরে আলোচনা চলছে। মিডিয়াতেও আলোচনা চলছে। আপনি জোটের পক্ষে নাকি বিপক্ষে? জোটের ভাল–মন্দ নিয়ে আপনারাও লিখতে পারেন। যুক্তি–সহ নিজের স্বাধীন মতামত মেলে ধরুন বেঙ্গল টাইমসে।