ষোল বছর বয়সের লেখা। সারাজীবন ছাপতেও দেননি। কাঁচা হাতের লেখা বলে ফেলে রেখেছিলেন। প্রকাশ পেল মৃত্যুর পর। তারপরই তৈরি হল সিনেমা। শরদিন্দুর কাহিনী নিয়ে ছবি করলেন তরুণ মজুমদার। অজানা সেই কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।।
মীরা পাণ্ডেরা ব্যতিক্রম। তাই তাঁরা আজও সম্মানীয়। অমরেন্দ্র সিংদের লোকে চিরকার চাটুকার আর মেরুদণ্ডহীন হিসেবেই চিনবে।
আইনজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই। আইনের ছাত্র হওয়ারও দরকার নেই। একটু সাধারণ জ্ঞান ও দূরদর্শিতা থাকলেই বোঝা যেত, এই মামলায় বিশেষ কিছুই হওয়ার নয়। যাঁরা আইনি পরামর্শ দেন, তাঁদের আইনি–বোধ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। এই সাধারণ ব্যাপারগুলো তাঁরা বোঝেননি!
রাজ্য জুড়ে আপাতত পঞ্চায়েত ভোটের আবহ। আপাতত চলছে মনোনয়ন পর্ব। তারপর শুরু হয়ে যাবে জোরদার প্রচার। তারপর দেখতে দেখতে ভোটও হাজির হয়ে যাবে। বেঙ্গল টাইমসে শুরু হচ্ছে নতুন বিভাগ— ভোট...
সেই সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়কে মনে আছে? ঠিক ধরেছেন, আগের পুরভোটে তিনিই ছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রথমে বলেছিলেন, কোথাও সন্ত্রাস হয়নি। পরে সন্ত্রাস কাকে বলে, নিজে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন। সেই সময় তাঁকে লেখা একটি খোলা চিঠি। পঞ্চায়েত ভোটের এই আবহে তুলে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।
রাজ্য সরকার জেনে বুঝেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনার বানিয়েছে। আপনি আর যাই হোন, মীরা পাণ্ডে নন। শাসক দল যা চাইবে, আপনাকে তাই তাই করতে হবে। মন্ত্রীরা এসে শাসিয়ে যাচ্ছেন। আরও কতবার শাসাবেন, তার ঠিক নেই। আপনি বড়জোর আরেকজন সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় হতে পারেন। নির্বাচন কমিশনারকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
বাসুদেব আচারিয়া কে, সেটা স্বপন বেলথরিয়ার মতো মাফিয়ার জানার কথা নয়। কারা এই জঘন্য কাজ ঘটালো, সেটা কারও অজানা নয়। সদিচ্ছা থাকলে আগে সেই লোকগুলোকে গ্রেপ্তার করা হোক, দল থেকে বহিষ্কার করা হোক, তারপর না হয় ফুল পাঠানোর নাটক করবেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
এক, রঞ্জিত মল্লিকের কামব্যাক। দুই, লোকেশানে ফের ডুয়ার্স। অন্তত এই দুটো আকর্ষণে ছবিটা দেখতেই পারেন। হলে দেখা হয়নি, ঘরে বসেই ছুটির দিনে দেখে নিন।
আজকের এই বাজার সংস্কৃতিতে নিজেকে মেলে ধরার প্রবণতা যে পরিমাণ বেড়েছে তাতে আত্মপ্রচার এখন সর্বজনবিদিত, যে পিছিয়ে যাবে সে–ই মার খাবে। শহুরে সভ্যতার এটাই মূল শিক্ষা। আধা গ্রামীণ বা মফস্বল সভ্যতায় কোথাও যেন একটা টান আছে এখনও। তফাত আসে তাতেই। ধাক্কা খাওয়া আসে তাতেই। বিশ্লেষণ করেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।।
যদিও মেয়র শোভন চান না শ্বশুরকে ওই আসনে প্রার্থী করা হোক। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁর আপত্তিকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হবে না। দুলাল দাসের স্থানীয় প্রভাব আছে। বিত্তশালী মানুষ। অন্য কাউকে টিকিট দিলে তিনি সাবোতাজও করতে পারেন। তাই সবকিছু মাথায় রেখে তাঁকেই প্রার্থী করা হতে পারে।