সমর্থকদের জন্য আস্ত ট্রেন বুক করে নিল চেন্নাই
সমর্থকদের জন্য আস্ত ট্রেন ভাড়া করে নিল চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাই থেকে পুনে। দূরত্ব ১১০০ কিমি, সময় প্রায় ২৩ ঘণ্টা। থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থাও করবে সিএসকে। আইপিএলের ইতিহাসে নতুন সংযোজন।
সমর্থকদের জন্য আস্ত ট্রেন ভাড়া করে নিল চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাই থেকে পুনে। দূরত্ব ১১০০ কিমি, সময় প্রায় ২৩ ঘণ্টা। থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থাও করবে সিএসকে। আইপিএলের ইতিহাসে নতুন সংযোজন।
স্মার্টফোন অনেকেরই থাকে। থাকাটা অন্যায় নয়। কিন্তু যাঁরা সবসময় সেই ফোনে মুখ গুঁজেই আছেন, তাঁরা কি সত্যিই খুব স্মার্ট? বিদেশি গবেষণা কিন্তু অন্য কথা বলছে। সেই গবেষণার হদিশ দিলেন প্রসূন মিত্র।।
হাওড়া স্টেশনে নেমে ট্যাক্সির জন্য এমন ভোগান্তি! দেড়–দু ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে! বয়ষ্ক মানুষ, রোগীদের অবস্থা সত্যিই শোচনীয়। পুলিশের সঙ্গে পরিবহন দপ্তরের সমন্বয়ই নেই। ওপেন ফোরামে সমস্যার কথা তুলে ধরলেন সুমিত চক্রবর্তী।
স্মার্টফোন আপনাকে কী দিয়েছে? কী কেড়ে নিয়েছে? কখনও সেই হিসেব করেছেন? মার্কিন একটি গবেষণা। তুলে আনলেন প্রসূন মিত্র।।
কেষ্ট আমাদের গুড়বাতাসা, ক্যাপসুল যা খুশি খাওয়াক। কেষ্ট ছাড়া কে করত আমাদের এতবড় উপকার! তাই রাম নয়, আজ থেকে আমি কেষ্ট–ভক্ত। বাংলার আকাশ–বাতাস কেষ্ট নামেই মুখরিত হোক। লিখেছেন অজয় কুমার।।
বাংলায় লড়াইটা কি শুধুই সি.পি.আই(এম) আর তৃণমূলের আছে? সেই বাংলায় লড়াইটা কি শুধুই নিছক রাজনীতির অঙ্কের আছে?
আসলে লড়াইটা এখন নিজের ভোটাধিকার রক্ষার। লড়াইটা এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের। লড়াইটা এই দমবন্ধ পরিবেশটা বদলে দেবার। লড়াইটা নতুন বাংলা গড়ার। লড়াইটা আমার। লড়াইটা আপনার। লড়াইটা এই লুম্পেন’দের বিরুদ্ধে বাকী সবার।
এই বিভাগটি পাঠকদের মুক্তমঞ্চ। যে কোনও বিষয়ের উপর আপনি আপনার ভাবনা মেলে ধরতে পারেন।রাজনীতি, খেলা, সিনেমা, নাটক, সাহিত্য, স্থানীয় সমস্যা- যে কোনও বিষয়েই লিখতে পারেন। আগের কোনও লেখার পাল্টা যুক্তিও তুলে ধরতে পারেন।
মহাশ্বেতা দেবী বা বুদ্ধদেব গুহর লেখায় ঘুরেফিরে বারবার এসেছে এই ম্যাকলাস্কিগঞ্জের কথা। এখানে কতবার এসেছেন। কত লেখা লিখেছেন। ছত্রে ছত্রে রয়ে গেছে ইংরেজদের তৈরি এই শহরের কথা।
অন্ডাল থেকে কলকাতা। এই বিমান রুট তেমন জনপ্রিয় হবে না। কিন্তু অন্ডাল থেকে যদি চেন্নাইয়ের বিমান দেওয়া হয়, যাত্রীদের সুবিধা হয়। কারণ, চিকিৎসার জন্য রোজ হাজার হাজার মানুষকে দক্ষিণ ভারত যেতে হয়। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।