দুর্গাপুর থেকে কলকাতা, বিমানে আসার যুক্তি আছে?
বিমানে দুর্গাপুর থেকে কলকাতা? টাকা বাঁচল? সময় বাঁচল? হয়রানি এড়ানো গেল? টেনশন কমল? চাপার আগে ভেবে নিন। নিজেকে বোকা প্রমাণ করাটা কি খুব জরুরি?
বিমানে দুর্গাপুর থেকে কলকাতা? টাকা বাঁচল? সময় বাঁচল? হয়রানি এড়ানো গেল? টেনশন কমল? চাপার আগে ভেবে নিন। নিজেকে বোকা প্রমাণ করাটা কি খুব জরুরি?
ট্যাক্সি থেকে রেস্তোরাঁ, সব জায়গায় আপনাকে হিন্দিতেই কথা বলতে হবে। খাস কলকাতায় বাঙালিরা ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে আসছে। আমরা নিজেরাই কি এর জন্য দায়ী নই? এই নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন বেঙ্গল টাইমসে।
বাঙালি যদি হতে হয়, তাহলে একদিন বা দুদিনের আদিখ্যেতা নয়। রোজ বাঙালি হয়ে উঠুন। বাংলাকে ভালবাসুন। বাংলা বই পড়ুন, গান শুনুন, ছবি দেখুন। বাংলা লিখতেও শিখুন। নইলে পয়লা বৈশাখটা বড্ড বেমানান মনে হবে।
বাংলা নতুন বছরে নানা রেস্তোরাঁয় নানা আকর্ষণীয় আইটেম। কিন্তু আপনি ঘরে বসেই নিতে পারেন বাঙালি খানার স্বাদ। শহরের নতুন অতিথি বেঙ্গল ফুড ফ্যাক্টরি। কাছেই আউটলেট। খোঁজ নিন। ফোন করুন। মুশকিল আসান।
(বাংলা ভাষাকে নিয়ে যে কটি স্মরণীয় গান, এই গানটি অবশ্যই থাকবে সামনের সারিতে। অনেকেই শুনেছেন। হয়ত পুরো গানটা জানেন না। যদি লিরিকটা পাওয়া যেত? যদি প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে শোনা যেত? এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। বাংলা নতুন বছরে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।)
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— খোলা চিঠি। রাজনীতি, খেলা, সাহিত্য, সিনেমা, ভ্রমণ সহ নানা বিভাগ উঠে এসেছে এই চিঠিপত্রের মাধ্যমে।
কোনও নানা জগতের দিকপালদের চিঠি। কখনও অন্য কাউকে চিঠি, যার মধ্যে দিয়ে নিজের অনুভূতিকে মেলে ধরা।
সবকিছুই একে একে মনে পড়ে যায়। সে প্রেমও বড় সত্যি, সে যন্ত্রণাও বড় পবিত্র। স্কুল পেরিয়ে কলেজ জীবন। সেখানেও কত স্মৃতির কোলাজ। কলেজ রাজনীতি থেকে দল বেঁধে হারিয়ে যাওয়া। হইহুল্লোড় থেকে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই। এক জীবনে কত ভিন্ন স্রোত।
জাতীয় পুরস্কার পাচ্ছে ময়ূরাক্ষী। সৌমিত্র, প্রসেনজিতের যুগলবন্দী। অতনু ঘোষের পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তির সময়ে বেঙ্গল টাইমসে তার রিভিউ বেরিয়েছিল। সেদিন ঠিক কী লেখা হয়েছিল? পুরোটাই তুলে দেওয়া হল। এই সুযোগে সেই স্মৃতি একটু ঝালিয়ে নেওয়া যাক।।
রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘না’ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা লিখেছেন মলয় সাহা।।
আশি পেরিয়ে এসেও তিনি সুস্থ, সতেজ। স্মৃতিতে এতটুকুও মরচে পড়েনি। প্রতিটি ছোট ছোট ঘটনা, অনুভূতি যেন এখনও জীবন্ত। এই বয়সে এসেও শুধু অভিনয় করে যাচ্ছেন, তাই নয়। প্রাণ ঢেলে অভিনয় করছেন। প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করছেন। বয়স হলেই মানুষ ফুরিয়ে যায় না, তাঁর আরও অনেক কিছু দেওয়ার থাকে। সৌমিত্রবাবু যেন সেটাই বারবার বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন। লিখেছেন জ্যোতির্ময় রায়।।