লেনিনের ছবি দেখিয়ে সন্তানকে বলব, ‘ইনিও আমাদের এক পূর্বপুরুষ। যুগে যুগে ইনি স্পার্টাকাস। ইনিই বিরসা মুন্ডা। ইনিই গ্যালিলিও। ইনিই গান্ধী। এঁকে দেখে যুগে যুগে মানুষ লড়াইয়ের সাহস পায়। তাই যুগে যুগে এঁর ওপরেই আঘাত নেমে আসে’। লেনিনের জন্মদিনে এমনই এক লেখা তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।
এই গরমে যদি পাহাড়ে যাওয়া যেত! সব পরীক্ষা শেষ। অখণ্ড অবসর। অনেকে হয়ত ঘুরেও এলেন। সেই ঘোরার কথা, আপনার অনুভূতির কথা লিখে ফেলুন। কোনও ফর্মুলা মেনে নয়, আপনি লিখুন একেবারে আপনার মতো করেই।
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
কীভাবে কেটেছিল মাধ্যমিকের পরের তিন মাস? এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— মাধ্যমিকের পরে। পুরো এপ্রিল মাস জুড়েই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরের দিনগুলো নিয়ে আলোচনা চলবে। ফেলে আসা দিনগুলোতে একটু উকি দেওয়া। )
পাঁচু ধর্ষণ করেছে। খুন করেছে। আরও নানা অপকর্ম করেছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে মামলা করা হল, পাঁচু সরস্বতী পুজোয় কেন জোরে মাইক বাজিয়েছিল। আদালত বলল, পাঁচু জোরে মাইক বাজিয়ে ঠিক করেনি। আর পাড়ার লোকের কী উল্লাস! যেন তাঁরা যুদ্ধে জিতে গেলেন! বিরোধীদের উল্লাস দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কলকাতা থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক রাস্তায় ট্রাম দেখা যায় না। শীত এলে কাবুলিওয়ালা দেখা যায় না। রাস্তার ধারে খটাখট টাইপ রাইটার দেখা যায় না। সেই সর্দারজি ড্রাইভারদেরও আর কলকাতায় দেখা যায় না। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।
ট্রেন বোঝাই করে চেন্নাই থেকে পুনেতে নিয়ে গেল সিএসকে। অথচ, আজকেই ইস্টবেঙ্গলের ফাইনাল, সামনেই ভুবনেশ্বরে। এক বেলাতেই পৌঁছে যাওয়া যেত। যে উদ্যোগটা চেন্নাই নিতে পারল, সেটা ইস্টবেঙ্গল পারল না কেন?
যে নির্বাচন কমিশন কার্যত পুতুলের মতো আচরণ করছে। যে প্রশাসন চক্ষুলজ্জাটুকুও বিসর্জন দিয়েছে, তাঁদের ন্যূনতম ভর্ৎসনাটুকুও করবেন না? তাই বিচারপতির কাছে আবেদন, শুধু ভোট পেছনো নয়। আরও তীব্র হোক আপনার রায়। রাজ্য প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন যে চূড়ান্ত অপদার্থতার পরিচয় দিয়েছে, এই কড়া বার্তাও আপনার রায়ে উঠে আসুক। অন্তত আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা যেন থাকে, তা আপনাকেই সুনিশ্চিত করতে হবে।
২ মাস ধরে আইনজীবীদের কর্মবিরতি চলছে। কর্মবিরতি না বলে একে ‘বন্ধ’ বলাই ভাল। একেই মামলার পাহাড়। তার ওপর ২ মাস ধরে প্রায় সব কাজ বন্ধ। বিরোধীরা বারো ঘণ্টা বন্ধ ডাকলে সরকার এত হুঙ্কার দেখায়, অথচ আইনজীবীরা ২ মাসের বন্ধ ডাকলেও সরকার নিশ্চুপ। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
যতই উন্নয়নের ঢাক বাজুক, তা দিয়ে যে ভোটে জেতা যায় না, সবথেকে ভাল জানেন অনুব্রত। তাই একটিও বিরোধী রাখেননি। তিনি চলেছেন নিজের ফর্মুলায়। উন্নয়নের প্রতি এত অনাস্থা এর আগে কেউ কখনও জানিয়েছেন!