সর্দারজিরা যেন সততা ও ভরসার প্রতীক

কলকাতা থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক রাস্তায় ট্রাম দেখা যায় না। শীত এলে কাবুলিওয়ালা দেখা যায় না। রাস্তার ধারে খটাখট টাইপ রাইটার দেখা যায় না। সেই সর্দারজি ড্রাইভারদেরও আর কলকাতায় দেখা যায় না। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

চেন্নাই পারল, ইস্টবেঙ্গল পারল না!‌

ট্রেন বোঝাই করে চেন্নাই থেকে পুনেতে নিয়ে গেল সিএসকে। অথচ, আজকেই ইস্টবেঙ্গলের ফাইনাল, সামনেই ভুবনেশ্বরে। এক বেলাতেই পৌঁছে যাওয়া যেত। যে উদ্যোগটা চেন্নাই নিতে পারল, সেটা ইস্টবেঙ্গল পারল না কেন?‌

শুধু রায় নয়, চাই তীব্র ভর্ৎসনাও

যে নির্বাচন কমিশন কার্যত পুতুলের মতো আচরণ করছে। যে প্রশাসন চক্ষুলজ্জাটুকুও বিসর্জন দিয়েছে, তাঁদের ন্যূনতম ভর্ৎসনাটুকুও করবেন না? তাই বিচারপতির কাছে আবেদন, শুধু ভোট পেছনো নয়। আরও তীব্র হোক আপনার রায়। রাজ্য প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন যে চূড়ান্ত অপদার্থতার পরিচয় দিয়েছে, এই কড়া বার্তাও আপনার রায়ে উঠে আসুক। অন্তত আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা যেন থাকে, তা আপনাকেই সুনিশ্চিত করতে হবে।

২ মাস আদালতে বন্‌ধ, সরকারের হেলদোল নেই!‌

২ মাস ধরে আইনজীবীদের কর্মবিরতি চলছে। কর্মবিরতি না বলে একে ‘‌বন্‌ধ’ বলাই ভাল। একেই মামলার পাহাড়। তার ওপর ২ মাস ধরে প্রায় সব কাজ বন্ধ। বিরোধীরা বারো ঘণ্টা বন্‌ধ ডাকলে সরকার এত হুঙ্কার দেখায়, অথচ আইনজীবীরা ২ মাসের বন্‌ধ ডাকলেও সরকার নিশ্চুপ। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

উন্নয়ন দিয়ে জেতা যায় না, সবথেকে ভাল জানেন অনুব্রত

যতই উন্নয়নের ঢাক বাজুক, তা দিয়ে যে ভোটে জেতা যায় না, সবথেকে ভাল জানেন অনুব্রত। তাই একটিও বিরোধী রাখেননি। তিনি চলেছেন নিজের ফর্মুলায়। উন্নয়নের প্রতি এত অনাস্থা এর আগে কেউ কখনও জানিয়েছেন!‌‌ ‌

সমর্থকদের জন্য আস্ত ট্রেন বুক করে নিল চেন্নাই

সমর্থকদের জন্য আস্ত ট্রেন ভাড়া করে নিল চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাই থেকে পুনে। দূরত্ব ১১০০ কিমি, সময় প্রায় ২৩ ঘণ্টা। থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থাও করবে সিএসকে। আইপিএলের ইতিহাসে নতুন সংযোজন।