ইমাম সাহেবের বাবা নাকি লালবাতির গাড়িতে চড়তেন। তাই তিনিও চড়বেন। বাবা তো মোবাইল বা এসি গাড়ি ব্যবহার করতেন না। ইমাম সাহেব, আগে এসি, মোবাইল ত্যাগ করুন। লালবাতি না থাকলে সম্মান পাবেন না! আপনার সম্মান লালবাতির জন্য? কাজের মধ্যে দিয়ে সম্মান অর্জন করুন। লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।।
কী আজব নিয়ম! মাতাল গাড়ি চালাতে পারবে কিনা ঠিক করবে পানশালার ওই লোকটি। মাতালরা মাতাল বলে যা খুশি চাপিয়ে দেওয়া? তাদের বুঝি বুদ্ধি নেই! পরলোকে গিয়েও গর্জে উঠলেন কেষ্ট মুখার্জি। মাতালভাইদের শিখিয়ে দিলেন পাল্টা দাওয়াই।
কাজের সূত্রে আলাপ। কিন্তু মাঝে ফুটবল আর ইস্টবেঙ্গল। আলাপ থেকে ঘনিষ্ঠ হতে আর কী চাই! পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহ মিলিয়ে চমৎকার একটা সম্পর্ক। শান্ত মিত্রর প্রয়াণে কলম ধরলেন তাঁরই বিশেষ স্নেহভাজন কুণাল দাশগুপ্ত।।
আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।
দারুণ সাড়া ফেলছে ‘স্মৃতিটুকু থাক’ বিভাগ। মনের ভেতর জমে থাকা অনেকদিনের কথা। বলতে পেরে কিছুটা হালকা হওয়া। ভুলস্বীকারে কোনও অন্যায় নেই, বরং এক সততা আছে। তেমনই সততার পরিচয় দিলেন তিমিরকান্তি পতি। পড়ুন। আপনারও এমন কোনও অনুভূতি থাকলে লিখে পাঠান।
পাশ দিয়ে বয়ে চলেছেন রূপনারায়ণ। একটু দূরেই শরৎচন্দ্রের বাড়ি। সাহিত্যের তীর্থস্থানে পিকনিকের নামে ডিজে আর মাতালদের দাপাদাপি। আজ শরৎচন্দ্রের মৃত্যুদিনে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরী।।
মধুজা মুখোপাধ্যায় আচ্ছা ধরুন আপনি হলেন আমার মতো একজন হোমসিক মানুষ। সেখানে নিজের দেশ থেকে বহুদূরে আমেরিকার এক ছোট্ট শহরে একজন আমেরিকান লেখকের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে যদি তার শোবার ঘরে কাঁচের দেওয়াল...
শীত মানেই একের পর এক মেলা। হস্ত শিল্প থেকে সবলা, সরস থেকে সুখাদ্য। মেলা মানেই কি শুধু কলকাতা ? শুধু কলকাতা নিয়েই কি বাংলা ? জেলার দিকে একটু তাকানো যায় না? অনেক মেলা ঘুরে প্রশ্ন তুললেন অন্তরা চৌধুরী।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অমরত্ব পাওয়া কবিতা, ‘তেত্রিশ বছর কাটল। কেউ কথা রাখেনি।’ গতকাল তেত্রিশ বছর কাটল বর্তমান সংবাদপত্রের। দেখা গেল, তারাও কথা রাখেনি। আগে ভগবান ছাড়া কাউকে ভয় করত না। এখন ভগবানের থেকেও বেশি ভয় করে মমতাকে। যে মানুষটা সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন, তিনি বরুণ সেনগুপ্ত। মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়ে লিখলেন হরিশ মুখার্জি।।
অনেকেরই শৈশব কেটেছে পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়ে। এখন তাঁদের ছেলেরা, নাতিরাও পড়ে পাণ্ডব গোয়েন্দা। কীভাবে লেখা হল এই গোয়েন্দা কাহিনী ? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চুর অনেক অজানা কাহিনী। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।