হঠাৎ হানা চিমনিতে, পাহাড়ি জনপদে দুটো দিন
দার্জিলিং থেকে নামার পথে। কোনও পরিকল্পনা ছিল না। হঠাৎ করেই হানা দেওয়া চমনিতে। ডাউ হিল লাগোয়া ছোট্ট এক পাহাড়ি জনপদ। সেই চিমনি ভ্রমণের দুটো দিন। লিখলেন অভীক মজুমদার।।
দার্জিলিং থেকে নামার পথে। কোনও পরিকল্পনা ছিল না। হঠাৎ করেই হানা দেওয়া চমনিতে। ডাউ হিল লাগোয়া ছোট্ট এক পাহাড়ি জনপদ। সেই চিমনি ভ্রমণের দুটো দিন। লিখলেন অভীক মজুমদার।।
এই গরমে যদি পাহাড়ে হারিয়ে যাওয়া যেত! পাহাড় মানেই কি শুধু দার্জিলিং–গ্যাংটক! কত নির্জন পাহাড়ি গ্রাম আছে। যা তথাকথিত টুরিস্ট স্পটের থেকে ঢের সুন্দর। তেমনই এক সুন্দর পাহাড়ি ঠিকানা তুলে ধরলেন রূপম রায়।
আমার বন্ধুদের অনুরোধ, আপনারাও নিজেদের ওয়ালে উত্তরবঙ্গকে তুলে ধরুন। অন্য কেউ ভাল ছবি পোট করলে নিজের ওয়ালে তা শেয়ার করুন। এইভাবেই আমরা একটু একটু করে এগিয়ে দিতে পারি আমাদের প্রিয় উত্তরবঙ্গকে।
বোঝা গেল, একসময় বেশ ভালই খেলতেন। প্র্যাকটিসের অভাব থাকলেও পায়ের শিল্পে মরচে পড়েনি। দূর থেকে নেওয়া একটা শটে গোলও করলেন। পাঁচ মিনিটের মাথায় আরও একটা। এটা অবশ্য হেড করে। আরও একটা গোলের সুযোগ এসে গেল। চাইলে হয়ত হ্যাটট্রিক করতেই পারতেন। কিন্তু তা না করে আমাকে পাস বাড়ালেন।
কলকাতা ছেড়ে বম্বেতে চলে যেতে চেয়েছিলেন উত্তম কুমার? সেখান থেকেই বাংলা ছবি করতে চেয়েছিলেন ? কেন ? এখানে কি এমন ঘটেছিল যে আর বাংলায় ফিরতে চাইছিলেন না ? জানেত হলে পড়ুন।
(কাল একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। আড়াই বছর আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল? তাই নিয়ে আড়াই বছর আগে বেঙ্গল টাইমসে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম: শুনুন ধর্মাবতার। পুরনো সেই লেখা ফের পড়ে দেখতে পারেন। )
আপনাকে যদি সামনে পেতাম, তাহলে বলতাম উপন্যাস না লিখে আরও বেশি করে ছোট গল্প লিখুন। বিশ্বাস করুন আপনার শ্রেষ্ঠ সাহিত্য কীর্তি শ্রীকান্ত নয়, এমনকি পথের দাবিও নয়। শ্রেষ্ঠ হল মহেশ। কিন্তু আপনি অকারণে গাদা গাদা উপন্যাস লিখলেন। হ্যাঁ অকারণে লিখলেন। কারণ বলুন তো দেবদাস, অরক্ষণীয়া, বৈকুণ্ঠের উইল এইসব উপন্যাসে কী আছে? কিছুই নেই।
সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।
অনেকেই ঘোরাফেরা করেন ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। চারপাশের লোকজন হয়ত বিরক্ত। নানা প্রশ্ন ধেয়ে আসে। কিন্তু তার পরেও সে কেন মগ্ন থাকে এই দুনিয়ায়? তাই নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।।
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।