সব কাজেই ঝোলান! আপনি মশাই নির্ঘাত সিবিআই

আপনাকে বলা হয়েছিল, ২ কেজি আলু আনতে। তার বদলে আপনি কত জায়গায় না চক্কর কাটলেন। তারপর রান্নার মাসিকে সেই আলু দেওয়ার বদলে আপনার বিস্তর গবেষণা ও কাগজপত্র জমা দিলেন। সেই রান্নার মাসি বেচারা কী করবেন, বুঝে উঠতেই পারছেন না।

ভাইপো নয়, এবার ‘‌ভাগ্নে’‌ বলতে শিখুন

আর তাঁকে ভাইপো ভাইপো বলে ডাকার কোনও মানে হয় না। ভাইপো হয়ে রাজ্যের গন্ডিতে সুরক্ষিত থাকা যায়, মাতব্বরি করা যায়। কিন্তু ‘‌ভাইপো’‌ তকমাটা সিবিআইয়ের কাছে বাঁচার জন্য যথেষ্ট নয়। সেখানে আরও প্রভাবশালী কারও ‘‌ভাগ্নে’‌ হতে হয়। কাজেই সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তাঁকে মোদির ‘‌ভাগ্নে’‌ বলা যায় কিনা, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভেবে দেখতে পারেন।

কী কেন্দ্র, কী রাজ্য, জল ঘোলা করাতেই যত আনন্দ

প্রশ্নটা হল সদিচ্ছা আর শিক্ষা নিয়েই। শিক্ষা মানে নিছক ডিগ্রি নয়। প্রশাসন চালাতে গেলে ন্যূনতম কিছু প্রশাসনিক শিক্ষাদীক্ষা লাগে। জালি ডিগ্রি হয়তো জোগাড় করা যায়, কিন্তু তাতে শিক্ষার ঝুলি অপূর্ণই থেকে যায়। কী কেন্দ্র, কী রাজ্য, এই শিক্ষার বড়ই অভাব। মাথাগুলোকে দেখলেই সেটা আরও ভাল করে বোঝা যায়। চেয়ারকে অনেক সম্মান দেখানো হয়েছে। আকাট মূর্খদের এবার আকাট মূর্খ বলার সময় এসেছে।

আসল কাজটা সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে

সবাই সবকিছু বোঝে। কাউকে কিছু বোঝাতে যাবেন না। আপনি যেটা ফেসবুক দেখে জেনেছেন, সেই মানুষটা সেটা জেনেছেন জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে। রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।

শূন্য পাওয়া পিকেই কিন্তু ম্যান অফ দ্য ম্যাচ

এত সহজে সরে যাওয়ার বান্দা তিনি নন। অন্তত আরও পাঁচটা বছর তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ডাক শুনে কেউ না এলে তিনি একলাই চলবেন। কে বলতে পারে, পাঁচ বছর পর বিহারে অন্য এক ইতিহাস লেখা হবে না!‌

‌আসল অপদার্থ কে, অভিজিৎবাবু বুঝিয়েই দিলেন

ঘৃণা যদি করতেই হয়, ভুইফোঁড় ভাইপো বা তাঁর পিসিকে নয়। যে লোক দুটো সিবিআই বা ইডিকে এতখানি অপদার্থতার স্তরে নামিয়ে এনেছেন, তাঁদের করুন। ধন্যবাদ অভিজিৎবাবু, সহজ কথাটা এত সহজভাবে বলার জন্য। আপনি প্রণম্য ছিলেন, আছেন, থেকেও যাবেন।

অকারণ আতঙ্ক তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন

মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে হবে। এটা নিয়ে কি কোনও দলের কোনও দ্বিমত আছে?‌ এটা তো সব দলেরই দাবি। কোনও দলই কি দাবি করেছে যে, মৃত ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায়...

জুজু দেখানোই যেন কেন্দ্রের কাজ

বাস, মেট্রো, চায়ের দোকান। সর্বত্রই আলোচনায় উঠে আসছে এসআইআর। সবার মধ্যেই কেমন যেন একটা আতঙ্ক। অথচ, তাঁদের আতঙ্কের কোনও কারণই ছিল না। পাঁচ পুরুষ ধরে এখানকার বাসিন্দা, ২০০২ কেন, ১৯৫২...

‌এই আতঙ্কের আবহ কারা তৈরি করছেন?‌

সব জায়গায় ঘুরেফিরে একটাই আলোচনা, এসআইআর। চায়ের দোকান থেকে লোকাল ট্রেন, অফিসের গুলতানি থেকে ফেসবুকের দেওয়াল। কেউ বলছেন, আমার বাড়িতে বিএলও এসে ফর্ম দিয়ে গেছেন। কেউ বলছেন, ফর্ম পাইনি। কেমন...

অশ্বডিম্ব প্রসব করবে এসআইআর, গোবধের উল্লাস করবে অবোধ বঙ্গ–‌বিজেপি

যতই এসআইআর হোক, দিনের শেষে তা পর্বতের মূষিক প্রসবই হবে। ঠিক সিবিআই তদন্তের যে হাল হয়েছে, এসআইআরেও তাই হবে। কিছু মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়বে, এতেই বঙ্গ বিজেপি উল্লাস দেখাবে। অবোধের গো বধেই আনন্দ।