কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।

‌ট্রেনের সেই আজব ভদ্রলোক

এরপর উনি একটা খবরের কাগজ বের করে সিটের ওপর পেতে খাবার খেতে বসলেন। থালা, বাটি, চামচ, জলের গ্লাস সাজালেন প্রথমে। তারপর একে একে বেরোলো ভাত, ডাল, আলুসেদ্ধ, করোলা ভাজা, পনিরের তরকারি, মাছের ঝোল, ডিম কষা, দেশি মুরগির ফ্যামিলি, পাঁঠার পাল, ভেড়ার চোদ্দ গুষ্টি, দই, মিষ্টি, আইসক্রিম, পান মশলা ইত্যাদি। মোবাইলে পুরানো দিনের একটা বাংলা গান তারস্বরে চালিয়ে, উনি খেতে বসলেন। গান চলছে, ‘আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর-

চোখ বুজলেই দশ হাজারের সেই দৌড়

আমরা গর্ব করে বলি, আমাদের একটা গাভাসকার ছিল। এই গর্ব আজীবন বয়ে বেড়াতে চাই। আমরা শচীন, কোহলিকে ভালবাসি। তাঁদের জন্যও গর্ব করি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্ন এলে চোখ বুজে মনে পড়ে দশ হাজার রানের সেই দৌড়টা।

‌সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

উনি বললেন, এটা হাজার টাকা কেজি, এটা দু হাজার টাকা কেজি। আমাকে এসব বুঝিয়ে কাজ নেই। আমিও নানা জায়গায় যাই। শুনেছি, দামী চা দেওয়া হয়। কিন্তু হাজার টাকার চায়ের সঙ্গে দু হাজার টাকার চায়ের কী তফাত, আমি বুঝি না। ওনার স্ত্রী নিশ্চয় বোঝেন। কিন্তু আমার তো মনে হয়, সব চা গুলোই একই, শুধু প্যাকেট গুলো আলাদা।

‌ ভাইরাল হয়েই থেকে গেল ‘‌এমন তো কতই হয়’‌

‘‌এমন তো কতই হয়।’‌ দিব্যি এই কথাটা জ্যোতি বসুর নামে চালিয়ে দেওয়া হয়। অথচ, এই কথাটা জ্যোতি বসু কোনওদিন উচ্চারণও করলেন না। তা সত্ত্বেও কী অবলীলায় তাঁর নামে চালিয়ে দেওয়া হল। টিভির তর্ক বিতর্কে মাঝে মাঝেই তৃণমূল বা বিজেপির প্রতিনিধি এই কথাটা জ্যোতি বাবুর নামে চালিয়ে দেন। আর সেই চ্যানেলে হাজির বাম নেতা তখন মাথা নামিয়ে কার্যত স্বীকার করেই নেন। এখনও পর্যন্ত কাউকেই বলতে শুনলাম না, ওটা জ্যোতিবাবু বলেনননি। অথচ, সত্যিই জ্যোতিবাবুর মুখ থেকে ওই বাক্যটা বেরোয়নি।

সাইকেল, আমাদের ছোটবেলার সেরা বিনোদন

সজল পাত্র দিনটা প্রতিবারই নিঃশব্দে পরিয়ে যায়। এখন রোজই কিছু না কিছু দিবস। এত দিবসের কথা আগে কখনও শুনিনি। ছোট বেলায় আমাদের কাছে দিবস বলতে স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস। তারপর...

লিখে রাখলেই স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাবে

একবার একটা সেমিনারে অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, যতরকম ভ্রমণ কাহিনী পড়েছি, তার মধ্যে সেরা হল সৈয়দ মুজতাবা আলির দেশে বিদেশে। শুধু বাংলা ভাষা নয়, পৃথিবীর কোনও ভাষায় এই ধরনের বই লেখা হয়েছে বলে মনে হয় না। কিন্তু বাঙালিরা এই বইটি সেভাবে পড়েই দেখল না।

যেজন ছিলেন নির্জনে

কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।

সত্যজিৎ রায়কে খোলা চিঠি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

সেই কফিহাউসেই শুটিং করেছিলেন মান্না দে!‌

মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। জন্মদিনে কিংবদন্তি...