হারিয়ে গেল হলুদ ট্যাক্সি, হারিয়ে গেলেন সর্দারজিরাও
আজি হেমন্ত জাগ্রত দ্বারে
আলো না ফুটলেও সেই আবছা অন্ধকারে আলোর একটা মৃদু আভাস দেখা যায়। চারপাশটা কী সুন্দর শান্ত, স্নিগ্ধ, শীতল, পবিত্র। কোথাও কোনও আওয়াজ নেই। কোনও কোলাহল নেই। থাকে শুধু এক অপরূপ মুগ্ধতা। ভোরের সেই সুগন্ধ, সেই মুগ্ধতার স্পর্শ যে না পেয়েছে তাকে বোঝানো যাবে না এই ভোরের মাহাত্ম্য। তাই যেদিন ভোরে উঠতে পারি না, সেদিন মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় জীবন থেকে একটা অপরূপ ভোর হারিয়ে গেল।
হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির সরণি বেয়ে ….
জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক।
অবসর জীবন মোটেই সুখের নয়
অবসরের পর জীবনটা সত্যিই বড় বদলে যায়। অনেকের চোখের ভাষায় সেটা বুঝতে পারি। আসলে, আমরা কখনই বর্তমান অবস্থানে খুশি নই। যখন চাকরি করি, তখন ছুটি চাই। আবার যখন অনন্ত ছুটি চাই, তখন সেটা বিরক্ত লাগে। এই কারণেই কবি লিখেছিলেন, ‘নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস’।
বাড়িতে পুজো সংখ্যা শেষ কবে দেখেছেন?
হয়তো অনেকে বলবেন, যদি লোকে নাই কিনবে, তাহলে ছাপা হচ্ছে কেন? নিশ্চয় বিক্রি হচ্ছে। হ্যাঁ, হচ্ছে। কিন্তু আপনার পরিচিত কজনের বাড়িতে আগে পুজো সংখ্যা নেওয়া হত আর এখন কজনের বাড়িতে নেওয়া হয়, একটু খোঁজ নিন। তাহলেই ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। পাঁচটা–ছটা পুজো সংখ্যা নিতে বলছি না। কিন্তু বছরে একটা পুজো সংখ্যা বাড়িতে নেওয়া যায় না!
মেসেজের কপি পেট নয়, একটি আলিঙ্গন
ফেলে আসা পুজোর দিনগুলো
আমার কাছে পুজো মানে শুধু সেজেগুজে ঘুরে বেড়ানো নয়। আমার কাছে পুজো মানে মায়ের কাছে বসে থাকা, মায়ের পুজোর জোগাড় করা, ঘর ভর্তি আলপনা দেওয়া, আম পল্লব টাঙ্গানো, দরজায় দরজায় সিঁদুর দেওয়া, মায়ের সঙ্গে কথা বলা, মাকে সাজানো, মাকে খাওয়ানো, মায়ের জন্য ভোগ রান্না করা- এর এক আলাদা আনন্দ। আলাদা অনুভূতি। যাদের কাছে পুজো মানে শুধুই সেজেগুজে ঘুরে বেড়ানো, রেস্টুরেন্টে খাওয়া তারা এই অনুভূতিটা বুঝবে না। তাদের সেই আনন্দ আমি উপভোগ করতে পারব না। আর আমার এই আনন্দ তারাও বুঝতে পারবে না। আমার এই আনন্দ আমার ঐশ্বর্য।
বিষ্ণুপুরের সেনবাড়িতে মা সারদা
প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক বিষ্ণুপুরে ভ্রমণ করলেও এরকম একটি পুণ্যস্থান দর্শন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রচারের অভাবেই। তাই পর্যটন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, এ বিষয়ে একটু উদ্যোগী হোন। সেনবাড়িটিকে ঘোষণা করা হোক হেরিটেজ বিল্ডিং রূপে। যেখানে গেলে মায়ের ব্যবহৃত গৃহটিকে দেখার ও শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ হবে।
ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।
