স্রষ্টারা আড়ালে, কিন্তু অমরত্ব নিয়ে গানটা থেকে গেল

পনেরোই আগস্ট মানেই বেজে উঠবে- ভারত আমার ভারতবর্ষ। কার লেখা, কার সুর? কজন জানেন ? গানটি লেখা হয়েছিল চারমূর্তি সিনেমায় চিন্ময় রায়ের লিপে! সেই গান এমন অমরত্ব পেয়ে গেল! এই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অজানা কথা তুলে ধরেলন সরল বিশ্বাস।।

সরকারের কাছে ব্রাত্য, মানুষের হৃদয়ে চিরকিশোর৩

কুণাল দাশগুপ্ত সেই কুস্তি আজও চলেছে । সাতের দশকের মাঝমাঝি সময় থেকে কেন্দ্রে বহু ধরনের সরকার এসেছে । জনতা, কংগ্রেস ,বি জে পি , হরেক কিসিমের । রাজনীতি , অর্থনীতি...

শুধুই উত্তম ? বাকিরা ? তাঁদের কথা ভুলে যাবেন ?

উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন ? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন ? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।

সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ ভোলেবাবা যাওয়ার সেই স্মৃতি সেইসঙ্গে গঞ্জিকা সেবন করে নদীর পাড়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কাহিনি।

কজন হলে গিয়ে উত্তমের ছবি দেখেছেন?

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হল উত্তম সপ্তাহ। সারা সপ্তাহজুড়েই মহানায়ককে নিযে নানা আঙ্গিক থেকে লেখা। শুধু প্রশস্তি নয়, কোথাও ভিন্নধর্মী লেখাও থাকতে পারে। যেমন এই লেখাটি। পড়ে দেখতে পারেন। লিখেছেন রাজেশ মুখার্জি।।

পুরানো সিরিয়াল ফিরিয়ে আনা যায় না?

যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

উত্তম সপ্তাহঃ বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য

আগামী ২৪ জুলাই উত্তম কুমারের মৃ্ত্যুদিন। বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে থাকবে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। ২৪-৩১ জুলাই পুরো সপ্তাহ জুড়ে থাকবে উত্তম কুমারকে নিয়ে বিভিন্ন আকর্ষণীয় লেখা। আপনারাও লেখা পাঠাতে পারেন। দয়া...

আর কোনও ভোকাল টনিকে তাঁর ঘুম ভাঙবে না

ইউরো ফাইনালের রাত। বিষণ্ণ কলকাতা। যিনি ইউরোপের ফুটবলের দরজা খুলে দিয়েছিলেন, এমন দিনে তিনি নেই! বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য চির-লড়াকু কোচকে। কয়েকদিন আগে প্রকাশিত একটি লেখা ফের ছাপা হল। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বরূপ গোস্বামী ।।

মুখুজ্যের সঙ্গে আলাপ

ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত। অমরত্ব পাওয়া এই লাইনগুলি লিখেছিলেন পদাতিক কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে তেরো বছর হয়ে গেল। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর। পড়ুন, ভাল লাগবে।

বাবার মতোই আগলে রাখতেনঃ রমলা

নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতেন জ্যোতি বসুকে। জ্যোতিবাবুর জন্মদিন মানেই তাঁর অন্যরকম ব্যস্ততা। প্রতিবার ইন্দিরা ভবনে এই দিনটা পালন করতেন। স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন রমলা চক্রবর্তী। উঠে এল জ্যোতিবাবু সম্পর্কে অনেক অজানা কথা।