বিজনবনের একাকী সেই সাধুবাবা
এই যে হাতি, চিতাবাঘের মাঝে শুয়ে থাকেন, ভয় লাগে না? সাধুবাবা বলতেন, ওদের ভয় পেতে যাব কেন? ওরাও তো আমাকে ভয় পায় না। ওরাও দেখে আমি একা একা এখানে পড়ে থাকি। আমাক মেরে ওদের লাভ কী? ওরাও জানে, কারা ওদের ভালবাসে।
রাজাভাতখাওয়ার সেই ছোট্টা ঝোরা,চাঁদের আলোমাখা সেই ডিমা নদী
আর তো হঠাৎ করে ছুটে যেতে পারব না রাজাভাতখাওয়ায় ওই ঝোরার সামনে, চাঁদের আলোয় ডিমা নদীর ধারের জঙ্গলের অপার্থিব রূপও দেখতে পাব না। অথবা ইচ্ছে করলেই যেতে পারবো না মেচ আর রাভাদের নাচ দেখতে। পাম্পু বস্তির মোমোর দোকান, পানিঝোরার জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট নদী, মেচপাড়া চা বাগানের সবুজ গালিচার ওপারে নীল ভুটান পাহাড়, হাসিমারা এয়ারবেসের কাছে তোর্ষার জঙ্গল, মালবাজার শহরের ছোট্ট অথচ মনোময় পরিবেশ, বীরপাড়া চা বাগানের গা ছমছমে পরিবেশ– আরও কতো কী! সব ইতিহাস হয়ে গেল আজ থেকে।
সরকার একপেশে, তাই রাজ্য ভাগের দাবি ওঠে
লোকসভায় উত্তরবঙ্গে আটটি আসন। সাতটিতে জয়ী বিজেপি, একটিতে কংগ্রেস। শাসক দলের একজন সাংসদও নেই। গত দু’বছরে সেই সাংসদদের কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে? প্রশাসনিক কোনও ব্যাপারে তাঁদের ডাকা হয়নি। ন্যূনতম মর্যাদাটুকুও দেওয়া হয়নি। উল্টে নানাভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে।
নর্মদা রায়রা সত্যিই বেমানান, তাই নিঃশব্দেই হারিয়ে গেলেন
নর্মদা রায়ের মতো মানুষেরা এ যুগে সত্যিই বেমানান। তাঁরা কখনই নিজের ঢাক নিজে পেটানোর বিদ্যে আয়ত্ব করতে পারেননি। তাই চিরকাল আড়ালেই থেকে গেলেন। নিঃশব্দেই হারিয়ে গেলেন। কলকাতার সবজান্তা মিডিয়া টেরও পেল না।
বাবার স্মৃতি আগলে রয়েছেন অভিমানী জামলিং
বাইরেই ছাড়া আছে তিনটি বিদেশি কুকুর। তাদের আহ্বান শুনে শুরুতেই ভয় পেয়ে যেতেই পারেন। মনে হতে পারে, আর ওপরে উঠে কাজ নেই। ফিরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু কুকুরের ভয় কাটিয়ে যদি ওপরে উঠে যান, এক জীবন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। হ্যাঁ, এখানেই তেনজিং নোরগের বাড়ি। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়া সেই তেনজিং। প্রথম এভারেস্টে পা রাখা সেই তেনজিং। এভারেস্ট দিবসে সেই বাড়ির কথাই তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
গা ছমছমে জঙ্গলে বোট সাফারি
এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।
রাজ্যপালকে ঘিরে এই অসভ্যতা খুব জরুরি ছিল?
যেমন রাজ্যপাল, তেমনই মুখ্যমন্ত্রী। কে কত ছেলেমানুষ, এ যেন তারই প্রতিযোগিতা চলছে। মাঝে মাঝেই ভাব হয়, দুদিন পরই ঠিক কোনও না কোনও কারণে ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। একজন টুইট করে বসেন। অন্যজন আমলাদের দিয়ে পাল্টা চিঠি লিখিয়ে বসেন। দুটোই প্রকাশ্যে চলে আসে। একজন সাংবাধানিক প্রধান, একজন প্রশাসনিক প্রধান। দুজনেই বালখিল্যতার চরম জায়গায় পৌঁছে যান।
