বিরোধীদের প্রাসঙ্গিক রাখার দায় যেন তৃণমূলই নিয়ে নিয়েছে

বলা যেতেই পারত, আমরা এই ঘটনা সমর্থন করি না, যারা করেছেন, অন্যায় করেছেন। এটা বললে কি খুব ক্ষতি হয়ে যেত!‌ বরং দলের ভাবমূর্তি কিছুটা ভালই হত। যদি সেইসব লোকেদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা হত, প্রশাসনের ও শাসকদলের ভাবমূর্তি কিছুটা উজ্জ্বলই হত। ভবিষ্যতেও অত্যুৎসাহীরা এরকম করার সাহস পেত না।লিখেছেন হেমন্ত রায়।

‌বিমল গুরুং বলছি

‌এতদিন পালিয়ে বেড়িয়েছেন। এখান সেখানে লুকিয়ে থেকেছেন। এখন প্রকাশ্যে বিমল গুরুং। সেখান থেকেই যদি বিনয় তামাংকে চিঠি লিখতেন!‌ কী থাকত সেই চিঠিতে!‌ কাল্পনিক এক খসড়া তৈরি করলেন সরল বিশ্বাস।

বিনয় তামাংরা দেওয়াল লিখনটা এখনও পড়তে পারছেন না!‌

বিশাল মিছিল করে বিনয় তামাংরা নাকি বার্তা দিলেন, বিমল গুরুংকে পাহাড়ে ফেরানো চলবে না। কাকে বার্তা দিলেন?‌ নবান্নে ধমক শুনেই তো আবার গুটিয়ে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর থেকে বিমল গুরুংয়ের গুরুত্ব এখন অনেক বেশি। এই দেওয়াল লিখনটা বিনয় তামাংরা এখনও পড়তে পারছেন না!‌ লিখেছেন চন্দ্রজিৎ সান্যাল।

সপ্তপদীর সেই গানটা.‌.‌.‌

‌ভ্রমণ স্বরূপ গোস্বামী ৩১ জুলাই, রাত ১১ টা সে ভারী অদ্ভুত লোক। যা জিজ্ঞেস করি, সবেতেই ‘হাঁ সাব’। এমনকি পরস্পরবিরোধী দুই প্রশ্ন হলেও দুবারই শুনতে হবে, ‘হাঁ সাব’। হিসেবের কথা...

‌‌মর্গান হাউসে দুই রাত

সাহেবি আমলের বাংলো।চারপাশে সুদৃশ্য লন। একটু এগোলেই বিশাল গল্ফ কোর্স। মনে হবে, একদিনের জন্য আপনিই যেন মর্গান সাহেব। সেই অনুভূতি উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।

সত্যজিৎ থেকে ঋত্বিক, অমিতাভ থেকে রাজেশ খান্না …..

ব্ল্যাককফি হাতে সত্যজিৎ রায় বসে থাকতেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ঋত্বিক ঘটক এসে তাকিয়ে থাকতেন কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে। অমিতাভ বচ্চন, রাজেশ খান্না এলেও বাইরে কাতাকে কাতারে ভিড়। দার্জিলিংয়ের সেই হেরিটেজ কেভেন্টার্সকে নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।

কোনও বুকিং ছাড়াই হাজির সেই পাহাড়ি গ্রামে

সবমিলিয়ে দুদিনের ট্যুরটা মন্দ হয়নি। মাঝে মাঝে রোদ। মাঝে মাঝে বৃষ্টি। গ্রাম্য কিছু দোকান। ইচ্ছেমতো মোমো, সিঙ্গাড়া খাওয়াই যায়। কতরকম ফলের গাছ। গোটা গ্রামটাই যেন নিজেদের গ্রাম। যেন যার ঘরে যখন খুশি ঢুকে পড়া যায়। ইচ্ছে হল, একজনের বাড়িতে চা খাব। এক আন্টিকে বলামাত্রই হাসিমুখে রাজি। তিনি চা করে আনলেন। চা–‌টা যে দারুণ এমন নয়। কিন্তু ওই আতিথেয়তা!‌ সত্যিই তুলনা হয় না। মানুষগুলো কত সহজ–‌সরল। একবার ভাবুন তো বেহালায় বা বরানগরে কোনও বাড়িতে গিয়ে আপনি চা খেতে চাইছেন। ইভটিজার বা চোর ভেবে গণপিটুনিও জুটে যেতে পারে।

যাঁরা বিষ ছড়ানোর সুযোগ দিচ্ছেন, তাঁদের অপরাধও কম নয়

কাদের নির্দেশে এসব কাজ করছে পুলিশ? এসব কাজ বিজেপির জমিকেই আরও শক্ত করে। এসব কাজ সাম্প্রদায়িক প্রচারকে আরও মজবুত করে। বিরোধীরা সুযোগ নেবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যাঁরা বারবার এই সুযোগ হাতে তুলে দিচ্ছেন, তাঁদের অপরাধও কোনও অংশে কম নয়। ‌লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

অতি সক্রিয়তার মাশুল দিতে হতেই পারে

পাচারকারী ধরা এক জিনিস। আর এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ীর বাড়িতে হানা দেওয়া আরেক জিনিস। এটা ঘটনা, নানা কারণে স্বপ্নার পরিবারের ওপর গ্রামের লোকেদের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কিছুটা প্রতিবেশীদের স্বভাবজাত ঈর্ষা। বাকিটার জন্য স্বপ্নার পরিবারও দায়ী। রেঞ্জার সাহেবও খবরের গন্ধ পেয়ে চলে এলেন। কিন্তু এক্ষেত্রে এই অতি তৎপরতা হয়ত ব্যুমেরাং হয়ে উঠতে পারে।

পাহাড় হাসছে, জ্যোতিবাবুকে কখনও এমন ঢাক পেটাতে হয়নি

আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।