ডাউহিলে ঠাঁই হল না, অগত্যা চিমনি

দুই বন্ধু একমত হলাম, কার্শিয়াংয়ের কাছে ডাউহিলে গেলে কেমন হয়!‌ জায়গাটা দারুণ, কিন্তু থাকার জায়গার অভাব। একটা ফরেস্টের বাংলো আছে। কিন্তু বুকিংয়ের হাজার ঝামেলা। ডিএফও–‌কে ফ্যাক্স করতে হবে। তারপর কবে তার রিপ্লাই আসবে, কে জানে!‌ উত্তর ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। পাহাড়ি জনপদে ঘুরে আসার অনুভূতি। মেলে ধরলেন অভীক মজুমদার।

অরণ্যের দিনরাত্রি

চারপাশে নাম না জানা গাছের সারি। কোথাও ফিকে। কোথাও ঘন। সন্ধে নামলেই গা ছমছমে একটা ব্যাপার। বনের মধ্যে নির্জন কাঠের বাংলো, ঝুপড়ি হোটেল, শুনশান স্টেশন, হাতির ডাক। ডুয়ার্সের টুকরো টুকরো ছবি। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

পাইন বনের মেঘমাখানো চিঠি

আগে যখন গানটা শুনতাম, মনে হত গাঁজাখুরি। খেয়ে-দেয়ে কাজ নেই। ‘মেঘের উপর দিয়ে হাঁটি’! কিন্তু এখন সত্যি সত্যি আমারও হেঁটে বেড়াতে ইচ্ছে করছে। মেঘের কি আর ঠিকানা আছে! কোথায় উড়ে যাবে, কে জানে! তোমার ঠিকানাও তো জানি না। তবু চিঠি লিখতে বাধা কোথায়! যেমনভাবে লিখি, পৌঁছয় না, তবু লিখি।

যা খুশি গুঞ্জন ছড়িয়ে দিলেই হল!‌

কিছু ভুলভাল ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুকের কিছু পোস্টে গুঞ্জন ছড়াতেই পারে। তাই বলে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় এই নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রচারিত হবে?‌ ফেসবুকের দু’‌চারজন অর্বাচিনের সঙ্গে মেইনস্ট্রিম মিডিয়াও নিজেদের এক করে ফেলছে!‌ সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড়ই ভয়ঙ্কর জিনিস।

নরম রোদ গায়ে মেখে রাজাভাতখাওয়া

লকডাউন মানেই কি গৃহবন্দি!‌ মন ছুটে চলে স্মৃতির আলপথ বেয়ে। রাজাভাতখাওয়ার সেই প্রান্তিক স্টেশন, সন্ধে নেমে আসা সেই জঙ্গলঘেরা পথ, আর সকালের নরম রোদে জঙ্গলের গন্ধ নেওয়া। সবমিলিয়ে দারুণ এক অনুভূতি। মেলে ধরলেন হৈমন্তী ঘোষাল।

ভিক্টর, ফাঁদে পা না দিলেই পারতেন

সরল বিশ্বাস প্রথমেই দ্বিধাহীনভাবে জানিয়ে রাখি, আমি একজন বাম অনুরাগী। বামেদের সব কিছুর সঙ্গে যে সহমত পোষণ করি, এমন নয়। অনেক পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র আপত্তিও থাকে। যেহেতু আমি দলীয় সদস্য...

শান্ত গ্রাম বারমিক, আর কুয়াশাঘেরা জোড়পোখরি

রুমা ব্যানার্জি শহুরে একঘেয়েমিতে ক্লান্তজীবন যখন প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে চায়, তখন মন ছুটে যায় নীল সবুজ হিমালয়ের কোলে কোনও অজানা গ্রামে। সেখানকার সোঁদা মাটির গন্ধ, ঝোপে ঝাড়ে ঝিঁঝি পোকার...

‌পাহাড় আবার সবকিছু ফিরিয়ে দিল

শান্তনু পাঁজা আজ শোনাব একটু অন্য রকম গল্প। না চাইতেও অনেক কিছু পাওয়ার গল্প। সেটা এপ্রিলের ১১ তারিখ। চাকরিটা ছাড়ব ছাড়ব করে ছেড়েই দিয়েছিলাম ওই দিন। সেদিনই ঠিক করি ৩...

‌‌পলাতক হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা

কোনও তাড়াহুড়ো নেই, কোলাহল নেই। টিপটিপ বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় অলসভাবে লেবঙ কার্ট রোড, ভুটিয়া বস্তি, মহাকাল মন্দির ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। চাইনি তবু সে দেখা দিল। গুনগুন করে গান শোনালাম… আমি আপন করিয়া চাহিনি তোমারে, তুমি তো আপন হয়েছো। লাজুক হেসে মেঘের চাদরে ঘোমটা দিল।

পাগলি তোমার সঙ্গে

এখানে আসার আগেও একটা ‘কিন্তু কিন্তু’ ব্যাপার ছিল। কিন্তু যেই সুখিয়া পোখরি পেরোলাম, যেই গাড়ির জানালা দিয়ে মেঘ ঢুকে আসছে, তখনই মনে হল, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।পাহাড় থেকে মুগ্ধতা মাখানো চিঠি।