তসলিমা আসলে কাদের বিরুদ্ধে বলে গেলেন!‌

উনিশ বছর পর তিনি বাংলায়। আবেগ ছিল। চাপা কান্না ছিল। নির্বাসিত থাকার যন্ত্রণা ছিল। উদ্বেগ ছিল। কলকাতা তাঁর সেই পবিত্র অনুভূতির শরিক হয়েছে। মুক্তচিন্তার মানুষেরা মুক্তকণ্ঠে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু যেটা বলে গেলেন, ঠিকঠাক মানে বুঝলে সরকারপক্ষের খুব একটা উল্লসিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তাঁরা যে মর্মার্থ বুঝবেন, তাঁদের চেতনার ওপর এতখানি আস্থা রাখা কঠিন।

ক্ষমা করতে হবে না, চুপি চুপি বরং ক্ষমা চেয়ে নিন

কেউ তো আপনার কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই অযাচিত ‘‌ক্ষমা করে’‌ মহান হওয়ার দরকার নেই। বরং, নিজের ভাষণ মন দিয়ে শুনুন। কথায় কথায় পণ্ডিত হেররু ও অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের কী ভাষায় আক্রমণ করেছেন, নিজেই শুনুন। তারপর মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিন।

কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।। কোন ছবির...

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

শুশুনিয়ায় জল ভরে এক্তেশ্বরের মন্দিরে ঢালতে যাওয়ার কথা। শুশুনিয়া থেকে ফেরার পথে একসঙ্গে জনা দশেক বন্ধু। তখন ভোলেবাবা মানে, অনেক নিষিদ্ধ কৌতূহলের হাতছানি। অনেকের সিগারেট খাওয়ার হাতেখড়ি হয় এই ভোলেবাবাতেই। সেবার কয়েকজনের ইচ্ছে হল, একটু গঞ্জিকা (গাঁজা) সেবনের। গন্ধেশ্বরীর পাড়ে এসে কয়েকজন বসে পড়লাম। এক বন্ধুর অভ্যেস ছিল। সে দিব্যি টান মেরে গেল।

এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!‌

মারাদোনা সরল মনে সেই নামাবলি পরেও নিলেন। ছবি উঠল। সেই ছবি থেকে গেল ইতিহাস হয়ে। ছবিটা যেমন থেকে গেল, তেমনই অমরত্ব পেয়ে গেলেন অমিয় তরফদারও। আজ বিশ্বকাপের আঙিনায় এত রিপোর্টার, এত ফটোগ্রাফার। কিন্তু এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!‌

কুণাল ঘোষ আর কতটুকুই বা ‘‌কলঙ্কিত’‌ করলেন!‌

এত বছরের প্রথা। স্পিকার মশাই জানেন না বলেই এই জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আগে কীভাবে সময় বণ্টন হত, সেটা জানার চেষ্টাও করেছেন বলে মনে হয় না। এক তো মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হল। এতেই শেষ নয়। পরের দিন তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনা হল। আনলেন স্বয়ং পরিষদীয় মন্ত্রী। এবং কোনও আলোচনা ছাড়াই সেই মোশন গ্রহণ করা হল। বিধানসভাকে কোন নর্দমায় নামাতে চাইছেন?‌

পুরুলিয়াকে নিয়ে এই হেলাফেলা আর কতদিন?‌

দিলীপ মাহাত পুরুলিয়াকে বলা হয় পিছিয়ে পড়া জেলা। আসলে, মূল শহর থেকে দূরে থাকলেই তাকে পিছিয়ে পড়া বলে চিহ্নিত করতে আমরা ভালবাসি। কিন্তু যারা পিছিয়ে পড়া, তাদের এগিয়ে আনার কতখানি...

তের পার্বণ:‌ চার দশকের ইতিকথা

কথা ছিল তেরো পর্বে শেষ হবে। কিন্তু শেষমেশ তা ৩৯ পর্ব পর্যন্ত চলেছিল। আরও চালিয়ে যাওয়ার দাবি উঠেছিল। হয়ত অনুমোদনও পাওয়া যেত। কিন্তু অহেতুক কাহিনিকে বাড়াতে চাননি পরিচালক।

বাসে ফ্রি!‌ নিয়মে একটু বদল আসুক

শুরু থেকেই যদি নিয়মের এমন অপব্যবহার শুরু হয়, কয়েকমাস পরে তা আরও মারাত্মক জায়গায় পৌঁছে যাবে। তাই পরিবহণ দপ্তরের কাছে অনুরোধ, এই নিয়মের পুনর্বিবেচনা করা হোক। নিয়মের অপব্যবহার রুখতে কিছু সংশোধন আনা হোক।

তসলিমাকে হজম করা এই অর্বাচীনদের কম্ম নয়

তাই যাঁরা উল্লসিত হচ্ছেন, যাঁরা এই সুযোগে আরও একবার বামেদের গাল পেড়ে নিচ্ছেন, তাঁরা বোধ হয় তসলিমার একটি বইও পড়েননি। ধর্মীয় হিংসা ছড়ানোই যাঁদের হাতিয়ার, তসলিমাকে হজম করা তাঁদের কম্ম নয়।