জোট না হওয়ার পিছনে অঙ্ক অন্যরকম

এই রাজ্যে কংগ্রেসের শক্তি ঠিক কতটুকু?‌ মালদা, মুর্শিদাবাদে নিঃসন্দেহে কংগ্রেসের পায়ের তলায় মাটি আছে। উতৃতর দিনাজপুরের কিছু বিক্ষিপ্ত এলাকাতেও আছে। বড়জোর নেপাল মাহাতোর সৌজন্যে পুরুলিয়ার একটা অংশকেও ধরা যেতে পারে।...

ট্রাম্পের পাগলামি কে থামাবে!‌

কুশল দেবনাথ ‌আবার যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। রাশিয়া–‌ইউক্রেন যুদ্ধের আগুন এখনও ধিকিধিকি করে জ্বলছে। এর মধ্যেই অশান্ত হয়ে উঠল মধ্যপ্রাচ্য। আমেরিকা–‌ইজরায়েলের যৌথ হানায় ইরানের একের পর এক শহর বিধ্বস্থ। তেলের...

সোনার কেল্লা পার্ট টু

(‌ঠিক বছর দশ আগের কথা। মুকুল রায়কে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অদ্ভুত এক জল্পনা। তিনি আসলে কোন দলে, তাই নিয়েই ছিল নানা ধোঁয়াশা। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)‌

অন্যের ভাষাকে ছোট না করেও নিজের ভাষাকে ভালবাসা যায়

এই দিনটি নিজের ভাষাকে ভালবাসার দিন। পাশাপাশি মাথায় রাখতে হবে, আমার মাতৃভাষা যেমন আমার কাছে প্রিয়, তেমনই অন্যের ভাষাও তার কাছে প্রিয়। আমার ভাষাকে বড় করে দেখাতে গিয়ে আমরা যেন কখনই অন্য ভাষাকে ছোট করে না দেখি।

ওরা কী চায়, নিজেরাই জানে না

ফোকাস। ফোকাস। মোবাইলে মগ্ন বিরাট অংশের তরুণদের মধ্যে সেই ফোকাসটাই নেই। সারাদিনে ওদের স্ক্রিনটাইম হয়ত দশ থেকে বারো ঘণ্টা। মানে, এতটা সময় মোবাইল হাতে কাটায়। যে সময় মোবাইল হাতে নেই, তখনও কিন্তু ভাবনায় সেই মোবাইলই ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই সময়টা আরও দু–‌তিন ঘণ্টা। অর্থাৎ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মোবাইল সংযোগ অন্তত বারো থেকে পনেরো ঘণ্টার। তার পরেও দিনের শেষে প্রশ্ন করুন, সারাদিনের প্রাপ্তি কী ?‌ বলার মতো বিশেষ কিছুই থাকবে না।

মিলিয়ে নেবেন, ইডি এবারও ‘‌কাঁচকলা’‌ করবে

যাঁরা ইডি, সিবিআই–‌কে চালান, তাঁরা এই দুই প্রতিষ্ঠানকে এতটাই ঘৃণার জায়গায় নামিয়ে এনেছেন। এবারও মিলিয়ে নেবেন, ইডি কাঁচকলাই করবে। মমতা ব্যানার্জি এসে ইডির কাছ থেকে শুধু ফাইল কেড়ে নিয়ে যাননি। তিনি ইডিকে কার্যত ধর্ষণ করে গেছেন।

গণতন্ত্রই পারে অরাজকতার মেঘ সরিয়ে সম্প্রীতি ফেরাতে

দুই দেশের সদর্থক আলোচনাই পারে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝিকে দূরে সরিয়ে আরও কাছাকাছি এনে দিতে। সাম্প্রতিক অতীতেত এই তিক্ততা, এই অরাজকতা আমরাও ভুলতে চাই। নতুন সম্পর্কের সূচনা হোক। পুরনো তিক্ততা ভুলে আবার সেই হারানো সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য ফিরে আসুক।

যাঁরা সম্প্রীতি বোঝেন না, খেলার মাঠ তাঁদের জন্য নয়

মাঠে বিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাব না, পাক বোর্ডের কর্তা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের মাথায় আছেন বলে তাঁর হাত থেকে এশিয়া কাপ নেব না, এগুলোও খুব সুস্থতার লক্ষণ নয়। এতে তিক্ততা আরও বাড়ে। পাশাপাশি, পাকিস্তান যেভাবে বয়কটের ডাক দিয়েছিল, এটাও কাম্য নয়। মাঠের বাইরের তিক্ততা যেন মাঠের পরিবেশকে বিষিয়ে না তোলে, এটা দেখার দায়িত্ব দু’‌পক্ষেরই। খেলার মাঠে বিভাজন নয়, সম্প্রীতিই কাম্য। 

ভারত থেকে যেনভারতই নির্বাসিত

স্বরূপ গোস্বামী মনে পড়ে যাচ্ছে মৃদুল দাশগুপ্তর একটি বিখ্যাত ছড়া। ফুটবল আর ক্রিকেটের তুলনা টানতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘‌পৃথিবীর চারভাগে/‌তিনভাগ জল/ক্রিকেট তুচ্ছ খেলা,/‌খেলা ফুটবল।’‌ বিশ্বকাপ ফুটবলে যখন মাসের পর মাস...

চ্যাম্পিয়ন হয়েই কি ফোকাস নড়ে গেল!‌

একটা সময় সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক ও নিত্য নৈমিত্তিক এক ঘটনা। কারা কতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এই তালিকা করতে বসলে বাংলার ধারে কাছেও অন্য কোনও দলকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু গত কয়েক দশকে এই ছবিটা অনেকটাই বিবর্ণ।