সহজ কথাটা সহজে বলুন

যেটা ভুল, সেটাকে ভুল বলুন। জনতা সেটাই চায়। ভুলটাকে আড়াল করতে চান বলেই দূরে সরে গেছেন। আরও দূরে সরে যাচ্ছেন। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।।

আবার ব্যালটের দাবি!‌ ইতিহাসকে পিছিয়ে দিতে চান?‌

সব্যসাচী কুন্ডু ভোটে হেরে গেলেই অনেক অভিযোগ শোনা যায়। সে অভিযোগের সারবত্তা আছে না নেই, সেটা ভেবেও দেখে না রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই রোগে প্রায় সব দলই কম–‌বেশি আক্রান্ত। ভোটে...

কোনও একদিন সেই ভুলস্বীকার করতেই হবে

একটা ভুল, যা আজও বাবার কাছে স্বীকার করা হয়নি। সেটাই এবার স্বীকার করতে চান রাজীব মিত্র। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগের এই লেখাটাই পাঠিয়ে দিতে চান নিজের বাবার মোবাইলে।

শীতঘুমের পর এবার গরমের ছুটিতে সিবিআই

শীত পেরিয়ে গেছে। কিন্তু সিবিআইয়ের শীতঘুম ভাঙার কোনও ইঙ্গিত নেই। গরম আসছে। এবার সিবিআই হয়ত গরমের ছুটিতে যাবে। এই সংস্থা প্রমাণ করেই চলেছে, তাঁদের যোগ্যতা থাকতে পারে, বিশ্বাসযোগ্যতা বলে কিছু নেই। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

মোহনবাগান যদি এমন শর্ত দিত!‌

নন্দ ঘোষ অনেকদিন খেলা নিয়ে কলম ধরেননি। তিনি বললেন, মোহনবাগান কর্তারা একটা চিঠি লিখতেও পারে না!‌ নীতা আম্বানিকে পাল্টা শর্ত দিতে পারে না?‌ এক, দুই, তিন করে দশ দফা শর্ত। মোহন কর্তাদের হয়ে তিনিই লিখে ফেললেন। মোহন কর্তারা পড়ে দেখতে পারেন। এই চিঠিটাই পাঠিয়ে দিতে পারেন।

গাড়ি থেকে নেমে এলেন সুচিত্রা সেন

একা সুচিত্রা, একা তিনি। একঘরে ঠিক একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করলেন তুষার প্রধান। জন্মদিনে মহানায়িকাকে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।।

গৌতম ভুল বুঝলেন, বাকিরা?‌

বাম নেতৃত্বকে ধন্যবাদ। দেরিতে হলেও তাঁরা ভুলটা বুঝতে পেরেছেন। আশা করব, আগামীদিনে এটা মেনে চলা হবে। সস্তা জনপ্রিয়তা ও হাততালির লোভে আমরা যেন নিজেদের দায়িত্ব ভুলে না যাই। ওপেন ফোরামে বেঙ্গালুরু থেকে পাঠিয়েছেন শুভ্রাংশু মহাপাত্র।।

বাংলাদেশ পারে, আমরা পারি না?‌

ফেসবুক কত ক্ষতি করছে, বাংলাদেশ বুঝেছে। আমরা এখনও বুঝিনি। কখনও কখনও ছোটদের কাছেও শিখতে হয়। রাত বারোটা নয়, রাত দশটা থেকেই বন্ধ হোক এই উৎপাত। নইলে চোখের সামনে একটা প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। ওপেন ফোরামে লিখেছেন নিবেদিতা মান্না।।

যা তাপস পালকে মানায়, তা গৌতম দেবকে মানায় না

গৌতম দেব ভুল বুঝতে পারলেন। কিন্তু সারাদিন যাঁরা তাঁর হয়ে গলা ফাটিয়ে গেলেন, তাঁরা কি বুঝলেন?‌ সোশাল মিডিয়ায় কাদের হাতে বাম পতাকা?‌ তাঁরা আদৌ বোঝেন কোনটা গর্বের আর কোনটা লজ্জার?‌ লিখেছেন ধীমান সাহা।।